চিঠিতে রমেশ সিংহ উল্লেখ করেন, ‘জাতিসংঘে আমাদের একজন সহকর্মী প্রতীক রঞ্জন বিশী, যিনি ইন্টারন্যাশনাল লেবার অর্গানাইজেশনে (আইএলও) কর্মরত। ৪ জুন রাত ৯টার দিকে ধানমন্ডি ২৭ নম্বর সড়কে ফুট ওভারব্রিজ পার হওয়ার সময় তাঁর কাছ মোবাইল ফোন, স্মার্ট ওয়াচ এবং সোনার আংটি ছিনতাই হয়। এ ঘটনাটি শেরেবাংলা নগর থানায় জানানো হয়। আনন্দের সংবাদ হচ্ছে থানা থেকে জানানো হয়েছে, ছিনতাই হওয়া সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়েছে।’

বাংলাদেশ পুলিশের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘ভারতের পুলিশ বাহিনীতে ২০ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, ছিনতাই হওয়া জিনিস উদ্ধার করে তা প্রকৃত মালিককে ফেরত দেওয়া কতটা কষ্টকর, চ্যালেঞ্জিং ও গর্বের বিষয়, সেটা বাংলাদেশ পুলিশ করে দেখিয়েছে। এটা সম্ভব হয়েছে বাংলাদেশ পুলিশের আন্তরিকতা, পেশাদারত্ব ও সমন্বিত প্রচেষ্টার ফলে। সত্যিই এই কাজটা অনেক প্রশংসার দাবি রাখে।

আমি বিশ্বাস করি, পুলিশ ও জনগণের মধ্যে শক্তিশালী সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হবে এই ধরনের কাজের মাধ্যমে।’

পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের ডিসি মো. শহিদুল্লাহ প্রথম আলোকে বলেন, ‘ছিনতাইয়ের ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি দ্রুততার সঙ্গে সব মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। এতে জাতিসংঘের পক্ষ থেকে চিঠি দিয়ে প্রশংসা করেছে। নিজেদের দায়িত্ববোধ থেকেই আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই কাজ করি। এ ধরনের প্রশংসা হলে আমরা আরও অনুপ্রাণিত হই।’