ফনি ভূষণ আরও বলেন, বাগেরহাট জেলার চিতলমারী উপজেলার আডুয়াবর্নী এলাকায় ছয় পুরুষ ধরে বসবাস তাঁর। সেখানে তাঁর পূর্ব পুরুষদের রেখে যাওয়া ঘরবাড়ি, জমিজমা উত্তরাধিকারসূত্রে ভোগ দখল করছেন। কিন্তু স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী তাঁর পৈতৃক সম্পত্তি থেকে প্রাপ্য অংশ গ্রাস করার অপচেষ্টায় ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে জাতীয় পরিচয়পত্র স্থগিত করেছেন। এমনকি নির্বাচন কমিশন স্থগিত করার সময় তাঁকে নোটিশ দিয়ে বিষয়টি জানায়নি। এখন বিষয়টি সমাধানে তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে আবেদন করেছেন এবং গণমাধ্যমে সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানান।

প্রবীণ এই ব্যক্তির ভাষ্যমতে, ইউনিয়ন কার্যালয় থেকে ২০১৬ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সনদ পেলেও গত মাসের ২২ তারিখে চেয়ারম্যান তাঁর জন্মনিবন্ধন বাতিলের জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে আবেদন করেন। মূলত নির্বাচন কমিশনের কয়েক জন কর্মকর্তার যোগসাজশে মিথ্যা অভিযোগ এনে তাঁকে ‘অস্তিত্বহীন’ দেখিয়ে সম্পদ আত্মসাতের উদ্দেশ্যে জাতীয় পরিচয়পত্র বাতিল করা হয়েছে।

ফনি ভূষণ বলেন, জাতীয় পরিচয়পত্র স্থগিত করায় তাঁর মুঠোফোন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পরিচয়পত্র পুনরায় চালু করতে তিনি আবেদন করেছেন বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের সচিব, জন্মনিবন্ধন বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন