নারায়ণগঞ্জের ভুলতা থেকে কমলাপুরে টিকিট কাটতে এসেছেন নাসরিন আক্তার। তিনি সিল্ক সিটি ট্রেনের দুটি টিকিট কাটবেন বলে এসেছেন। তিনি বলেন, ‘নারীদের আলাদা কাউন্টার থাকার পরও ভোগান্তি হয়েছে। এদিকে নারীদের কাউন্টারের আশপাশে পুরুষেরা এসে জড়ো হচ্ছেন। আনসার সদস্যদের বলেও কোনো কাজ হচ্ছে না।’

নাসরিন বলেন, ‘অনলাইনে টিকিট কাটা যাচ্ছে না, পাচ্ছি না। এ কারণেই স্টেশনে আসা। কিন্তু স্টেশনে এসেও দীর্ঘক্ষণ এ ভোগান্তিতে পড়তে হলো।’

এ বিষয়ে কমলাপুর স্টেশনের ব্যবস্থাপক মো. মাসুদ সারওয়ার বলেন, নারীদের সারিতে পুরুষদের আনাগোনা ঠেকাতে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

‘অনলাইনের টিকিট কই যায়’
ঈদের ছুটিতে বগুড়ায় যাবেন সুমন মণ্ডল। তিনি আজ সকাল আটটায় রেলওয়ের সার্ভারে লগইন করেন। ওয়েবসাইটে ঢুকতে সময় লাগে ১২ মিনিট। প্রবেশের পর তিনি দেখতে পান, রংপুর এক্সপ্রেসের শোভন চেয়ারের একটি টিকিটও অবশিষ্ট নেই। অগত্যা তিনি আর টিকিট কাটতে পারলেন না।

সুমন প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার পক্ষে স্টেশনে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে টিকিট কাটা সম্ভব নয়। অফিস আছে। যেহেতু অর্ধেক টিকিট অনলাইনে, তাই অনলাইনেই টিকিট কাটার চেষ্টা করেছি। কিন্তু পারলাম না। অনলাইনে এত দ্রুত টিকিট কীভাবে শেষ হয়, কই যায়?’

অনলাইনে টাকা কেটে নেওয়ার পর টিকিট মেইলে আসছে না—টিকিটপ্রত্যাশীদের এমন অভিযোগের বিষয়ে সহজের এই জনসংযোগ বিভাগের ব্যবস্থাপক ফারহাত আহমেদ বলেন, ‘এটা আমাদের সার্ভারের কোনো সমস্যা নয়। টিকিট পেমেন্টের গেটওয়ের বিষয়। এ টাকাটা কিন্তু আমরা পাচ্ছি না। পাচ্ছে পেমেন্ট গেটওয়ে সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান। এ সমস্যা প্রথম দিকে ছিল। এখন তা অনেকটাই সমাধান হয়ে আসছে।’

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন