আজ সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই দাবি করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক মো. রহমত উল্লাহ ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মো. নিজামুল হক ভূঁইয়া। গত শনিবার সকালে কর্মক্ষেত্রে যাওয়ার পথে লতা সমাদ্দার এক পুলিশ সদস্যের হেনস্তার শিকার হন। তাঁর অভিযোগ, টিপ পরায় গালিগালাজ ছাড়াও তাঁর পায়ের ওপর দিয়ে মোটরসাইকেল চালিয়ে দেন ওই পুলিশ সদস্য।

লতা সমাদ্দারের সঙ্গে পুলিশ সদস্যের আচরণকে ‘বর্ণবাদী ও অবমাননাকর’ বলে আখ্যা দিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি। সমিতির বিবৃতিতে বলা হয়, এ ঘটনায় শিক্ষক সমিতি ক্ষুব্ধ ও মর্মাহত। এ ঘটনা সর্বস্তরের নাগরিকদের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার করেছে। বর্তমান সরকার যেখানে অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে সমাজের সর্বস্তরে ধর্ম-বর্ণ-লিঙ্গ ভেদাভেদ দূর করে একটি উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ গঠনে কাজ করে যাচ্ছে, ঠিক সেই সময়ে সরকারের পুলিশ বাহিনীর একজন সদস্য, যাঁর নারীর নিরাপদ গমনাগমন নিশ্চিত করতে তৎপর থাকার কথা, তাঁর কাছ থেকে এ ধরনের আচরণ অত্যন্ত অনভিপ্রেত।

শিক্ষক সমিতির বিবৃতিতে বলা হয়, ‘একজন ব্যক্তির বেআইনি কর্মকাণ্ডের দায়ভার কোনো প্রতিষ্ঠান বহন করবে না বলে আমরা বিশ্বাস করি। এ ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ গণমাধ্যমে নিন্দার ঝড় বয়ে যাচ্ছে। জাতীয় সংসদেও বিষয়টি আলোচিত হয়েছে। আমরা অবিলম্বে এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই। একই সঙ্গে কর্মক্ষেত্রে নারীর নিরাপত্তা বিধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানায় সমিতি।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন