সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, বিভিন্ন আবাসন প্রতিষ্ঠান বালু ফেলে খাল ও জলাশয়ের জায়গা ভরাট করে। সরকারি কিংবা ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি, কোনো কিছুর তোয়াক্কা করে না। এটাই বাস্তবতা। থানায় গিয়ে, কাউকে নালিশ করে কোনো কাজ হবে না। আদালত পর্যন্ত যেতে যেতে জায়গা ভরাট হয়ে যায়, ঘরবাড়ি উঠে যায়।

রাজধানী উন্নয়ন করপোরেশনের (রাজউক) চেয়ারম্যানকে চিঠি দেওয়া হয়েছে জানিয়ে মেয়র বলেন, যেসব প্রতিষ্ঠান আবাসন ব্যবসা করছে, তারা যে নকশা দেখিয়ে প্লট বিক্রি করেছে, সেখানে যে মাঠ, পার্ক ও বাজার দেখিয়েছে, বাস্তবে তা নেই। জমি বা প্লটের দাম বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এগুলো প্লট করে বিক্রি করেছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভালো কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমি প্রতিটি আবাসন প্রতিষ্ঠানের নকশা চেয়েছি। নকশা অনুযায়ী খেলার মাঠ, পার্ক কিংবা বাজারের জায়গা আছে কি নেই, তা যাচাই করব। না থাকলে ভবন ভেঙে মাঠের জায়গা, পার্কের জায়গা করতে হবে। নয়তো অন্য কোথাও ব্যবস্থা করতে হবে। না হলে ভবিষ্যতে ওই প্রতিষ্ঠান উত্তর সিটির আওতাধীন যেখানেই কাজ করবে, সেখানেই বাধা দেওয়া হবে।’

স্বজন নিবাসের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা আকমল বলেন, মেয়র ওয়ানম্যান আর্মির মতো নগরবাসীর কল্যাণে ছুটে চলছেন, কাজ করছেন। মেয়রের কাজ, নিরলস পরিশ্রম নগরবাসীর মন জয় করতে পেরেছে।

অনুষ্ঠানে স্বজন নিবাসের সভাপতি সুলতান আহমেদের সভাপতিত্বে ডিএনসিসির ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আসিফ আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। এ সময় মেয়র আতিকুল ইসলামকে সম্মাননা ক্রেস্ট দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন