বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক পার্থ শংকর পাল প্রথম আলোকে জানান, ঈশিতার শরীরের ৮০ শতাংশ দগ্ধ হয়। তিনি নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন।

ঈশিতার চাচা মিজানুর রহমান জানান, গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি স্কুলের কোয়ার্টারে ঈশিতাদের বাসা। তাঁর বাবা মো. ইদ্রিস ওই স্কুলে চাকরি করেন। শনিবার রাতে লেখাপড়াসংক্রান্ত বিষয়ে তাঁর মা তাঁকে বকা দেন। এতে অভিমান করে ঈশিতা নিজের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। রাতেই তাঁকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।

ঈশিতার বান্ধবী মারজান মেহজাবিন বলেন, ‘যতটুকু জানতে পেরেছি, পরিবার ও লেখাপড়া নিয়ে হতাশা ছিল তার মধ্যে। এ কারণে হয়তো এ ঘটনা ঘটতে পারে।’

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন