বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ রোববার দুপুরে নুরুল হক প্রথম আলোকে তাঁর এই ভাবনার কথা জানান। গত ৯ জুলাই আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুনের মৃত্যুতে জাতীয় সংসদের ঢাকা-১৮ আসনটি শূন্য হয়। এর আগে গত ৬ মে আওয়ামী লীগের নেতা ও সাংসদ হাবিবুর রহমান মোল্লার মৃত্যুতে ফাঁকা হয় ঢাকা-৫ আসনটি।
ডাকসুর সদ্য বিদায়ী ভিপি নুরুল হক বললেন, ‘একটি নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। নির্বাচনের মাধ্যমে জোরালো অবস্থান জানান দেওয়া যায় কি না, সেই চিন্তা থেকে ঢাকা-১৮ আসনের উপনির্বাচনে আমি প্রার্থী হতে চাই, ঢাকা-৫ আসনেও প্রার্থী দিতে চাই। জনগণের ডাকাতি হয়ে যাওয়া ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে এই নির্বাচন একটি ইস্যু হতে পারে বলে মনে করছি। কোনো দলের ব্যানার বা মার্কায় নয়, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিতে চাই। আমাদের সংগঠন (ছাত্র অধিকার পরিষদ) ও সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতা-কর্মীরা আমাদের উপনির্বাচনে অংশ নেওয়ার ব্যাপারে ইতিবাচক।’

নুরুল আরও বলেন, ‘দেশের বিরোধী দলগুলোর প্রতি জনগণের একধরনের অনাস্থা রয়েছে। কারণ, নির্বাচনে অংশ নিলেও পোলিং এজেন্ট দিতে পারে না, দলগুলোর নেতা-কর্মীরা এমনকি ভোটকেন্দ্রেও যান না। আমাদের প্রতি মানুষের সেই কনফিডেন্সটা (আস্থা) আছে বলেই মনে করি। আমরা মাঠে নামলে “ডু অর ডাই”, ফলে পরিস্থিতি অন্য রকম হবে। ভোটের অধিকার চুরি হয়ে যাওয়ার কারণে মানুষের মধ্যে একটা ভোটকেন্দ্রবিমুখতা তৈরি হয়েছে। আমরা জনগণের ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার ট্রেন্ডটা ফিরিয়ে আনতে চাই।’

ঢাকার ফাঁকা হওয়া দুই আসনের উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর পরিবেশ-পরিস্থিতি বিবেচনা করে নির্বাচনে অংশগ্রহণের ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন নুরুল হক। তিনি বলেছেন, ‘ঢাকা-১৮ আসনে (উত্তরা) আমি একসময় থেকেছি। সেই সূত্রে সেখানে আমার পরিচিত অনেক লোক আছেন। স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির অনেক নেতা-কর্মীর সঙ্গেও আমার পরিচয় আছে। নির্বাচনে অংশ নিলে তরুণ নেতা হিসেবে সরাসরি সম্ভব না হলেও অভ্যন্তরীণভাবে তাঁরা আমাকে সমর্থন করার আশ্বাস দিয়েছেন।’

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন