বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এর আগে সোমবার সন্ধ্যায় মুরাদ হাসানের আরেকটি কুশপুত্তলিকা বানিয়ে তাতে ‘নিন্দা মালা’ পরিয়ে রাজু ভাস্কর্যের সামনে রেখে আসেন শিক্ষার্থীদের একটি অংশ। তাঁরা মুরাদ হাসানের অপসারণ ও তাঁকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মানসুরা আলম, কানেতা ইয়া লাম লাম এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হল শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ইমাম আল নাসেরের উদ্যোগে কুশপুত্তলিকাটি রাজু ভাস্কর্যে রাখা হয়েছিল। ওই কুশপুত্তলিকাটির ওপর লেখা ছিল, ‘আমি ডা. মুরাদ, তথ্য প্রতিমন্ত্রী। আমি নারী লোভী, বিকৃত অসভ্য মানুষ।’ তবে রাখার মিনিট বিশেকের মধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম গিয়ে কুশপুত্তলিকাটি ভেঙে পাশে ফেলে দেয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

default-image

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মুরাদ হাসানের বক্তব্যসংবলিত একটি ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। ভিডিওতে তাঁকে খালেদা জিয়ার নাতনি জাইমা রহমান সম্পর্কে ‘অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ’ মন্তব্য করতে শোনা যায়। তাঁর ওই বক্তব্যের সমালোচনায় সোচ্চার হন নারী অধিকার কর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ। প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে মুরাদ হাসানকে অব্যাহতি দেওয়ার দাবি ওঠে।

ওই ভিডিওতে মুরাদ হাসান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং এই বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হল ও শামসুন নাহার হলের সাবেক ছাত্রনেতাদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেন। এ নিয়ে শিক্ষার্থীদের অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।

এর মধ্যে এক চিত্রনায়িকার সঙ্গে প্রতিমন্ত্রী মুরাদের টেলিফোন কথোপকথনের একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে ওই চিত্রনায়িকার উদ্দেশে তাঁকে ‘কুরুচিপূর্ণ’ কথা বলতে শোনা যায়। এই কথোপকথন নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা হয়।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন