বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নিখিল রঞ্জন ধরের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ খতিয়ে দেখতে গত ২১ নভেম্বর একটি তদন্ত কমিটি করেছিল বুয়েট কর্তৃপক্ষ। বুয়েটের উপাচার্য সত্য প্রসাদ মজুমদার আজ শনিবার বিকেলে প্রথম আলোকে বলেন, ‘তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পেয়েছি। এর ভিত্তিতে নিখিল রঞ্জন ধরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিতে বলা হয়েছে। হয়তো দু-এক দিনের মধ্যেই তাঁকে নোটিশটি পাঠানো হবে। সাত দিনের মধ্যে তাঁকে নোটিশের জবাব দিতে হবে। এরপর বুয়েটের সিন্ডিকেটে আলোচনার পর তাঁর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

তদন্তে কী পাওয়া গেল, জানতে চাইলে বুয়েটের উপাচার্য এ বিষয়ে কিছু বলতে রাজি হননি।

গত ৬ নভেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংকের অধীন ৫টি সরকারি ব্যাংকের ১ হাজার ৫১১ টি ‘অফিসার ক্যাশ’ পদের নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। বিকেলে এক ঘণ্টার পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর একাধিক প্রার্থী অভিযোগ করেন, পরীক্ষা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ১০০টি প্রশ্নের প্রিন্ট করা উত্তরপত্র ফেসবুকে পাওয়া গেছে। ওই পরীক্ষা নেওয়ার দায়িত্বে ছিল আহ্ছানউল্লা ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি।

প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ওঠার পর পরীক্ষাটি বাতিল করে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকার সিলেকশন কমিটি। এ ঘটনায় আহ্ছানউল্লা ইউনিভার্সিটির কয়েকজন কর্মচারীসহ কিছু ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদে বুয়েটের অধ্যাপক নিখিল রঞ্জন ধরের নাম উঠে এসেছে বলে সংবাদমাধ্যমে খবর বের হয়। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, ছাপাখানায় প্রশ্নপত্র ছাপার পর তিনি একটি বা দুটি সেট নিজের ব্যাগে ঢুকিয়ে নিতেন৷

এরপর ২১ নভেম্বর নিখিল রঞ্জন ধরকে বুয়েটের ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধানের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয় কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি তাঁকে কোনো পরীক্ষায় দায়িত্ব পালন না করার নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে অভিযোগ খতিয়ে দেখতে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করে বুয়েট কর্তৃপক্ষ৷

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন