বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

সৈয়দা রত্না আরও বলেন, ‘আমি চাই এ মাঠ যেন খুব সুন্দরভাবে ব্যবহার করতে পারি। এ মাঠ হোক স্বতন্ত্র একটি মাঠ। এলাকাবাসী সবাই যেন এই মাঠ ব্যবহার করতে পারে। ভবিষ্যতে কেউ এই মাঠ অধিকার করতে এলে কিংবা বন্ধ করে দিতে এলে সরকারই যেন এটাকে প্রতিহত করে।’ মাঠ রক্ষার আন্দোলন নিয়ে তিনি বলেন, ‘এলাকার প্রতিটি মানুষ মাঠের পক্ষে। কিন্তু এ রকম একটি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর সাহস সবাই পাননি। তবে আমি নিজে একেবারে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলাম। সবাই সামনে থাকতে না পারলেও অনেকেই আমার সঙ্গে ছিলেন।’

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, এবারই প্রথম পুরো মাঠে প্যান্ডেল করা হচ্ছে, যা আগে কোনো ঈদের জামাতেই করা হয়নি। মাঠের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এলাকাবাসীর বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় কার্যক্রম এবং কিশোর-যুবকদের খেলাধুলার কথা চিন্তা করে যে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন, সেই আনন্দ থেকেই ঈদের জামাতের এমন আয়োজন বলেও জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রামাণ্যচিত্র নির্মাতা মাসুদ করিমও আজ দুপুরে মাঠে ঈদের জামাতের প্রস্তুতির নানান বিষয় তদারক করছিলেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, এত দিন খেলাধুলা থেকে শুরু করে সামাজিক ও ধর্মীয় নানান কার্যক্রম করার ক্ষেত্রে একটি সীমাবদ্ধতা ছিল। পুলিশ দাঁড়াতেই দিত না। কিন্তু এবার পুরো মাঠে বড় প্যান্ডেল হচ্ছে। এবারের আমেজটাই ভিন্ন। স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য এবারের ঈদের জামাত উৎসবমুখর হতে যাচ্ছে।

স্থানীয় লোকজনের দাবি, মাঠের বিষয়ে স্পষ্ট সিদ্ধান্ত দিয়ে মাঠটিকে সিটি করপোরেশনের মাধ্যমে এলাকাবাসীর জন্য বরাদ্দ দিয়ে দেওয়া হোক। এ অবস্থায় থাকলে ভবিষ্যতে মাঠ নিয়ে আবার জটিলতা সৃষ্টির আশঙ্কা আছে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন