বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সংসদ সদস্য হানিফ বলেন, ‘আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূলকে সংগঠিত করতে হবে। দক্ষিণ জেলার সব ওয়ার্ড ইউনিয়ন ও উপজেলার সম্মেলন জুন থেকে জুলাই মাসের মধ্যে আমরা শেষ করব। এরপর সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে জেলা সম্মেলন করতে চাই।’

হানিফ আরও বলেন, ‘আমরা শ্রীলঙ্কার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি দেখেছি। তা দেখে বিএনপি দিবাস্বপ্ন দেখছে। তারা বলছে, বাংলাদেশের অবস্থা তেমন হবে। আমি বলছি, বাংলাদেশ কখনো শ্রীলঙ্কা হবে না। বাংলাদেশের কৃষি খাত শক্তিশালী হয়েছে। রপ্তানি আয় বেড়েছে। প্রবৃদ্ধি বেড়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। এখানে অর্থনৈতিক সংকট হবে না।’ তিনি আরও বলেন, ষড়যন্ত্রকারীরা এসব অপপ্রচার চালাচ্ছে। ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে সরকারের পতন ঘটাতে চায়। তাই সংগঠনকে শক্তিশালী করার বিকল্প নেই।

মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘উত্তর জেলার মধ্যে আমরা অনেক সংসদ সদস্য পাই। কিন্তু দক্ষিণে আগে সেভাবে আসন পেতাম না। এখন পেয়েছি। যদি এখনই সংগঠনকে শক্তিশালী না করি, তাহলে আবার সংকটে পরতে হবে। তাই দুই মাসের মধ্যে তৃণমূল ও জেলার সম্মেলন শেষ করে নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত হতে হবে।’

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী হাসান মাহমুদ। তিনি বলেন, দীর্ঘসময় ক্ষমতায় থাকার কারণে দলের মধ্যে কিছু সুবিধাবাদী অনুপ্রবেশ করেছেন। যাঁরা ১৩ বছর ধরে দল করছেন, তাঁরা আওয়ামী লীগের দুঃসময় দেখেননি। তাঁদের ভাবতে হবে, কীভাবে সামনে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে।

বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন। তিনি বলেন, ‘জুলাইয়ের মধ্যে তৃণমূলের সম্মেলন শেষ করতে হবে। আগস্ট শোকের মাস।

সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে আমরা জেলা সম্মেলন করব।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা চাই না প্রবীণ নেতা মোছলেম উদ্দিন আহমেদ ব্যর্থ হয়ে জেলা সম্মেলন করুক আগে। সবার আগে তৃণমূলের সম্মেলন করতে হবে।’

সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ অর্থ ও পরিকল্পনা সম্পাদক ওয়াসিকা আয়েশা খান, দপ্তর সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিপ্লব বড়ুয়া, সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম চৌধুরী, সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক সিরাজুল মোস্তফা।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন