বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সংস্থাটি বলেছে, বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বৈশ্বিক লিঙ্গবৈষম্য প্রতিবেদন-২০২১ অনুযায়ী, নারী-পুরুষের সমতার ক্ষেত্রে ১৫৬টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের স্থান ৬৫তম। পরিবারের মধ্যে মানবাধিকার সংস্কৃতিচর্চার মাধ্যমে এই বৈষম্য কমানো সম্ভব।

সংস্থাটি আরও বলেছে, পরিবার থেকে কেউ সমান অধিকারের শিক্ষা পেলে সেটি মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখবে। এ ক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি ধর্মীয় ও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানেরও ভূমিকা অনেক। ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জন করতে হলে সর্বস্তরে মানবাধিকার সংস্কৃতির চর্চা প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

অন্তর্ভুক্তিমূলক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে অসমতা কমিয়ে আনা দরকার উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ জন্য ব্যক্তি পর্যায় থেকে রাষ্ট্রীয় পর্যায় পর্যন্ত প্রত্যেকের সুস্থ ও মর্যাদাপূর্ণভাবে বেঁচে থাকার জন্য মৌলিক অধিকার পূরণ করতে হবে।

এ বছর মানবাধিকার দিবসের প্রতিপাদ্য ‘সমতা-অসমতা কমানো, মানবাধিকারের অগ্রযাত্রা’।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন