default-image

দেশের প্রচলিত আইন শতভাগ অনুসরণ করে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, কোনো পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কোনো অপরাধীর সম্পর্ক থাকলে তাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া করা হবে।

আজ সোমবার ঢাকা মহানগর পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় এ নির্দেশ দেন ডিএমপি কমিশনার।

বিজ্ঞাপন

রাজারবাগে বাংলাদেশ পুলিশ মিলনায়তনে আয়োজিত ওই সভায় ডিএমপি কমিশনার বলেন, আইন শতভাগ অনুসরণ করলে পুলিশ বাহিনীর প্রতি মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা বৃদ্ধি পাবে। তিনি আরও বলেন, কোনো পুলিশ সদস্যের আচরণগত কারণে যেন পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি নষ্ট না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

কমিশনার বলেন, ‍করোনা পরিস্থিতি আমরা কাটিয়ে উঠেছি। পুলিশের যে তথ্যভান্ডার আছে সেখানে অপরাধীদের সম্পূর্ণ তথ্য সরবরাহ করতে হবে। কোনো কর্মকর্তা যদি তথ্য সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয় তবে তাঁকে তদন্তকাজ থেকে বিরত রাখা হবে বলেও তিনি জানান।

বিজ্ঞাপন

মাদকসেবীদের বিষয়ে ডিএমপি কমিশনারের নির্দেশনা ছিল, মাদক নির্মূল করতে হলে মাদকসেবীদের তালিকা করতে হবে। মাদক সেবীদের চিহ্নিত করে তাদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলতে হবে। তারা যেন স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারে সে জন্য তাদের সব রকম সহযোগিতা করতে হবে। প্রয়োজনে তাদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে তাদের সংশোধনাগারে পাঠানোর ব্যবস্থা করতে হবে। এরপরও মাদকসেবীরা সংশোধন না হলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিজ্ঞাপন

সভায় আগস্ট মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন কমিশনার। ডিএমপির ক্রাইম বিভাগের মধ্যে প্রথম হয়েছে গুলশান বিভাগ, ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের মধ্যে প্রথম হয়েছে গোয়েন্দা তেজগাঁও বিভাগ এবং ট্রাফিক বিভাগের মধ্যে প্রথম হয়েছে গুলশান বিভাগ।

সভায় ডিএমপি’র অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) মো. মনিরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন) মীর রেজাউল আলম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) কৃষ্ণ পদ রায়সহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য পড়ুন 0