বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভিভিআইপি, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে সুশৃঙ্খলভাবে দায়িত্ব পালন করছে ডিএমপি। দুই কোটি মানুষের এই নগরীকে তারা সুশৃঙ্খল নগরীতে রূপান্তর করেছে। পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট বাড়ানোর পাশাপাশি তাদের দক্ষতা বাড়াতে পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার।

অনুষ্ঠানে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, বিগত বছরে করোনা মোকাবিলায় ডিএমপি মুনশিয়ানার পরিচয় দিয়েছে। তারা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়েছে।

এ সময় আরেক বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. আখতার হোসেন। তিনি বলেন, ১৯৭৬ সালে ৬ হাজার পুলিশ সদস্য নিয়ে ডিএমপি প্রতিষ্ঠিত হয়। এখন ডিএমপির সদস্যসংখ্যা প্রায় ৩২ হাজার। তিনি বলেন, আগে পত্রিকায় হেডলাইন হতো মার্ডার, ছিনতাই ও মলম পার্টি নিয়ে। এখন পত্রিকা খুললে অপরাধের এসব চিত্র দেখেন না। বর্তমান ডিএমপি কমিশনার শফিকুল ইসলামকে নিয়ে তির্যক মন্তব্যও দেখেন না তিনি। এতে বোঝা যায়, অপরাধের প্রাদুর্ভাব নেই। এখন নগরবাসী নিরাপদে আছেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, নগরবাসীকে সেবা দিতে সাধ্যমতো চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা। নগরবাসীর সহযোগিতা ছাড়া এককভাবে পুলিশ মানুষের আস্থা অর্জন করতে পারবে না।

থানায় সেবা না পেলে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানাতে অনুরোধ করেন ডিএমপি কমিশনার। ঢাকার পুলিশ প্রধান বলেন, নগরবাসীর নিরাপত্তায় পাশে দাঁড়াবে, এমন বাহিনী হিসেবে ডিএমপিকে রেখে যেতে চান তিনি। ডিএমপি দুর্দিনে নগরবাসীর বন্ধু হতে চায়।

শনিবার বেলা তিনটার দিকে ডিএমপি সদর দপ্তর থেকে রাজারবাগ পুলিশ লাইনস পর্যন্ত একটি শোভাযাত্রা বের করা হয়। বিকেলে রাজারবাগ পুলিশ লাইনস মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান ডিএমপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কেক কাটেন। এরপর ডিএমপির কার্যক্রম নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র দেখানো হয়। অনুষ্ঠানে মন্ত্রী, সাংসদ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, রাজনৈতিক নেতা, পুলিশ কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেন।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন