বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নূর ম্যানশন, গাউছিয়া ও নিউমার্কেটের বিভিন্ন দোকান ঘুরে দেখা যায়, বিক্রেতার উদ্দেশ্য অনেকটাই সফল। চটকদার নামে আকৃষ্ট হয়ে হয়েই হোক বা অন্য কারণে হোক, ঘারারা ও শারারা পোশাকগুলোই বেশি চলছে। তবে অনেক ক্রেতার দাবি, ভারতীয় সিনেমার নাম দেখে নয়, বরং পোশাক দেখেই তাঁরা কিনছেন।

লালবাগ থেকে আসা গৃহিণী আসমা জাহান প্রথম আলোকে বলেন, আগে থেকেই তাঁর স্কুলপড়ুয়া মেয়ে বায়না ধরেছিল, ঈদে শারারা কিনে দিতে হবে। মেয়ের পছন্দ ও বাজেটে মিললেই তিনি কিনে নেবেন। বাজার ঘুরে জানা গেল, কয়েক বছর ধরেই শারারা ও ঘারারার চাহিদা রয়েছে।

হাঁটুসমান বা তার চেয়ে একটু বেশি লম্বা কামিজ এবং সালোয়ারে হাঁটু থেকে নিচের দিকে অনেক কুঁচি, সঙ্গে ওড়নাসহ যে পোশাক, সেটাকে ঘারারা বলা হচ্ছে। আর সাধারণ সালোয়ারের জায়গায় স্কার্ট বা চওড়া ঘেরওয়ালা সালোয়ার থাকলে সেটাকে বলে শারারা। পোশাকগুলোর দাম দেড় হাজার থেকে ছয় হাজারের মধ্যে। নিউমার্কেটের কোয়ালিটি ফ্যাশনের বিক্রেতা জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘এই ঈদে ড্রেস দুইটাই—শারারা ও ঘারারা। ছোট ও তরুণীরা ঘারারা ও শারারা নিচ্ছে বেশি।’ তিনি জানান, মূলত ভারত থেকে এসব পোশাক আসে। স্থানীয়ভাবেও কিছু তৈরি হয়।

পোশাকের দাম এবার কিছুটা বাড়তি বলে অভিযোগ ক্রেতাদের। আয়শা আক্তার নামের একজন গৃহিণী প্রথম আলোকে বলেন, আগে সুতির সাধারণ একটি সালোয়ার কামিজ ১ হাজার ৫০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকায় কেনা যেত। এবার ২ হাজার টাকার নিচে সালোয়ার কামিজ নেই।

বাড়তি দাম নিয়ে ক্রেতাদের অভিযোগ সম্পর্কে বসুন্ধরা সিটির পোশাকের দোকান দেশী দশের একটি ব্র্যান্ড দেশালের ইনচার্জ ইব্রাহিম সজীব জানান, সুতার দাম বাড়তি। বিশ্ববাজারে সবকিছুরই দাম বেড়েছে। দুই হাজার টাকার নিচে এখন এক সেট সালোয়ার-কামিজ-ওড়না দেওয়া সম্ভব হয় না।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন