বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আগামীকাল ষষ্ঠীর মাধ্যমে দুর্গাপূজার শুরু। ১৫ অক্টোবর শুক্রবার বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে বিদায় নেবেন দেবী। বাংলাদেশ পূজা উদ্‌যাপন পরিষদ জানিয়েছে, এ বছর সারা দেশে ৩২ হাজার ১১৮টি দুর্গাপূজা হবে, যা গত বছরের চেয়ে ১ হাজার ৯০৫টি বেশি। আর ঢাকা মহানগরে পূজামণ্ডপের সংখ্যা ২৩৮।

শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সবার প্রতি আমার অনুরোধ, এই উৎসবে কোনোভাবেই স্বাস্থ্যবিধি ভঙ্গ করা যাবে না। বর্তমানে আমাদের করোনা সংক্রমণ কমে ২ শতাংশ হয়েছে। তবে আত্মতৃপ্তিতে ভুগলে হবে না। আমরা মাস্ক ছাড়া কাউকে মণ্ডপে প্রবেশ করতে দিব না। আমার অনুরোধ, আপনারা স্বাস্থ্যবিধি মেনে মন্দিরে আসবেন। যাঁরা বয়স্ক ও টিকা নেননি, তাঁদের পূজামণ্ডপে না আনার অনুরোধ করছি।’

মন্দিরগুলোকে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে উল্লেখ করে ডিএমপি কমিশনার বলেন, বড় মন্দিরগুলোতে সার্বক্ষণিক পুলিশ মোতায়েন থাকবে।

পূজামণ্ডপগুলো সিসিটিভির আওতায় থাকবে। একই সঙ্গে প্রতিটি পূজামণ্ডপ পুলিশের নজরদারির আওতায় থাকবে। ইউনিফর্ম পুলিশের পাশাপাশি সাদাপোশাকে ডিবি, আইএডি, এসবি ও অন্যান্য গোয়েন্দা বাহিনীর লোকজন মোতায়ন থাকবেন।

নিরাপত্তাব্যবস্থা এমনভাবে জোরদার করা হবে, যাতে কেউ অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটানোর সাহস না পায়।

পূজা ঘিরে কোনো ধরনের জঙ্গি হামলার আশঙ্কা আছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘আমরা নিরাপত্তা বিষয়ে তেমন ঝুঁকি দেখছি না, তবে আশঙ্কার কথা একেবারে উড়িয়ে দিচ্ছি না। এ ক্ষেত্রে অনলাইন নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।’

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন