বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ভবনটির নিচতলার এটি স্যানিটারি দোকানের মালিক জাহাঙ্গীর আলম প্রথম আলোকে বলেন, ‘হঠাৎ করেই বিকট শব্দে পুরো ভবন কেঁপে ওঠে। দোকান থেকে বের হয়ে দেখি দুজন শরীরে আগুন নিয়ে নিচে নেমে আসছে। পরে তাদের শরীরে পানি ঢেলে আগুন নিভিয়ে হাসপাতালে পাঠানো হয়।’

এ ঘটনায় প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনজনকে থানায় নেওয়া হয়েছে। তেজগাঁও থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শাহ আলম প্রথম আলোকে বলেন, আগুন ছড়ানোর আগেই নিয়ন্ত্রণে আনেন স্থানীয় লোকজন। আহত দুজন লেখাপড়া শেষ করে চাকরি করছিলেন বলে জানা গেছে। তবে বিস্তারিত জানা সম্ভব হয়নি। এই ঘটনা নিছক কোনো দুর্ঘটনা, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো ঘটনা আছে, সেটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

ওই ভবনের মালিক আবদুল লতিফ প্রথম আলোকে বলেন, ‘তিনতলার ফ্ল্যাটটিতে পাঁচজন ব্যাচেলর থাকেন। তাঁরা চার বছর ধরে ওই ফ্ল্যাটেই আছেন। তিনজন আগে থেকেই চাকরি করতেন। এখন সবাই চাকরিজীবী বলেই জানি।’

ঘটনার পর ওই ফ্ল্যাটে গিয়ে দেখা গেছে, শুধু একটি কক্ষের সবকিছু পুড়ে গেছে। অন্য কক্ষের কোনো ক্ষতি হয়নি। এমনকি রান্নাঘরেও আগুন ছড়ায়নি।

এদিকে ঘটনার পর পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করেছে। বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, প্রাথমিকভাবে মনে হয়েছে, কোনো কারণে ওই ফ্ল্যাটে মিথেন গ্যাস জমেছিল বলে বিস্ফোরণ ঘটে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন