বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বেলা ১১টায় করোনার দ্বিতীয় ডোজের টিকা নেওয়া শেষে স্বস্তি প্রকাশ করলেন প্রবাসী কর্মী তারিক আজিজ। তাঁর দ্বিতীয় ডোজের টিকা নেওয়ার তারিখ ছিল ২৭ অক্টোবর। তবে কাজের চাপে গতকাল টিকা নিতে কেন্দ্রে আসতে পারেননি যাত্রাবাড়ীর এই বাসিন্দা। তারিক প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি কাতারে ছিলাম। এখন সৌদি আরবে যাব নতুন কাজ নিয়ে‌। ফাইজারের টিকা পেয়েছি। সময়মতো টিকা পাওয়া নিয়ে চিন্তায় ছিলাম। এখন চিন্তামুক্ত হলাম।’

ঢাকা মেডিকেলে টিকাদানকেন্দ্রের ভেতর থেকে অপেক্ষমাণ টিকাগ্রহীতাদের সারি পকেট গেট ছাড়িয়ে গেছে। কয়েক শ মানুষ দাঁড়িয়ে আছেন। টিকা কার্ড যাচাইয়ের পর ১০ জন করে ভেতরে ঢোকানো হচ্ছে। নির্ধারিত বুথে টিকা নেওয়া শেষে তাঁরা আধা ঘণ্টার জন্য বিশ্রাম নিচ্ছেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ফাইজারের প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজের টিকা দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি অ্যাস্ট্রাজেনেকা ও সিনোফার্মের দ্বিতীয় ডোজের টিকা দেওয়া হচ্ছে।
ঢাকা মেডিকেলে জরুরি বিভাগের পকেট গেটের ওপরে লেখা ‘করোনা টিকাদানকেন্দ্র’। গেট দিয়ে নেমে গেল ঢালু পথ। সেখানেই মেডিকেল কলেজের টিকাদানকেন্দ্র। সকাল আটটা থেকে এ কেন্দ্রে করোনার টিকা দেওয়া হচ্ছে। চলবে বেলা আড়াইটা পর্যন্ত। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের পরও যদি কেউ টিকা দিতে আসেন, তাঁদেরও টিকা দেওয়া হবে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ টিকাদানকেন্দ্রে নারী ও পুরুষদের জন্য মোট আটটি বুথ আছে। তবে টিকাগ্রহীতাদের চাপ বেশি থাকলে বুথের সংখ্যা বাড়ানো হয়। এ কেন্দ্রে প্রবাসীদের টিকা নেওয়ার সারি অনেক দীর্ঘ থাকে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজের সহকারী পরিচালক আশরাফুল আলম প্রথম আলোকে বলেন, এখানে প্রতিদিনই টিকা দেওয়া হয়। তবে এক মাস আগে গণটিকাদান কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ কেন্দ্রে এক হাজার বেশি টিকা দেওয়া হয়েছিল। প্রতিদিন তিন হাজারেরও বেশি টিকা এ কেন্দ্র থেকে দেওয়া হয়। আজ চার হাজারেরও বেশি মানুষকে টিকা দেওয়ার প্রস্তুতি আছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। তিনি আরও বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজে পর্যাপ্ত টিকা আছে। কেউ টিকা নিতে এলে না নিয়ে ফিরে যাওয়ার সুযোগ নেই।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন