বিজ্ঞাপন

এর আগে বেলা ১১টা থেকেই বায়তুল মোকাররমের আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান নেন। খেলাফত মজলিসের নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে বের হলে সামনে-পেছনে পুলিশের সদস্যরা ছিলেন।‌

জুমার নামাজ শেষে বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে খেলাফত মজলিসের নেতারা ইসরায়েলি হামলা স্থায়ীভাবে বন্ধের দাবি জানান। খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ সম্পাদক কে এম আলম বলেন, বিশ্ব বিবেককে উপেক্ষা করে ফিলিস্তিনে হামলা চালানো হচ্ছে। ‌ তিনি স্থায়ীভাবে ইসরায়েলি এই হামলা বন্ধের আহ্বান জানান।

default-image

খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি আবুল হোসেন ও ছাত্র মজলিসের নেতা হাফেজ ইমরান এ সময় বক্তব্য দেন। তাঁরা ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের হামলাকে মানবতাবিরোধী অপরাধ উল্লেখ করে এর বিচার দাবি করেন।
আওয়ামী ওলামা লীগের পক্ষ থেকে বলা হয়, শিশুসহ ফিলিস্তিনের নিরীহ নারী-পুরুষের ওপর বর্বরোচিত হামলা চালিয়ে আসছে দখলদার ইসরায়েল। অথচ জাতিসংঘ, ওআইসি এবং আরব লীগের মতো সংগঠনগুলো ‘নীরবতা’ পালন করে আসছে। এ পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে আওয়ামী ওলামা লীগ মুসলিম দেশগুলোর প্রতি আলাদা সংগঠন ‘মুসলিম জাতিসংঘ’ খোলার দাবি জানায়।

ওলামা লীগের প্রতিবাদ কর্মসূচি সঞ্চালনা করেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক কাজি মাওলানা আবুল হাসান শেখ শরীয়তপুরী। এতে বক্তব্য দেন মাওলানা আবদুল জলিল, মাওলানা ইউসুফ নুর, মাওলানা আবদুস সবুর মিয়া প্রমুখ। বিক্ষোভ কর্মসূচিতে ফিলিস্তিনের রক্তাক্ত মানুষের ছবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করা হয়।‌

default-image

ইউনাইটেড মুসলিম উম্মাহ নামের একটি সংগঠনও ইসরায়েলবিরোধী বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে।

বিক্ষোভে সংগঠনগুলোর নেতা–কর্মীরা ছাড়া সাধারণ মুসল্লিরাও যোগ দেন।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন