বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রমনা জোনের সহকারী কমিশনার (পেট্রল) রাজন কুমার সাহা প্রথম আলোকে বলেন, ‘গ্রাহকেরা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি দিতে চেয়েছিল। আমরা তাঁদের বলেছি তিনজনের একটা প্রতিনিধি দল নিয়ে সেখানে যেতে। কিন্তু তাঁরা অনেক গ্রাহক মিলে মন্ত্রণালয় ঘেরাও করতে চাইলে পুলিশ তাঁদের বাধা দিয়েছে।’

মানববন্ধনে ই-অরেঞ্জ ভুক্তভোগী কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক আফজাল হোসেন সাংবাদিকের সামনে দাবিগুলো তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ই-অরেঞ্জ যেহেতু অরেঞ্জ বাংলাদেশের সিস্টার কনসার্ন, তাই আর্থিক ক্ষতির দায় অরেঞ্জ বাংলাদেশকে নিতে হবে।

ই-অরেঞ্জ প্রতারণার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি, সরকারি আমলা ও কর্তাব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ দাবি করে আফজাল হোসেন বলেন, এখন পর্যন্ত দায়ের করা সব মামলা দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালে নিষ্পত্তি করতে হবে।

এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটির মূল হোতা সোহেলকে দেশে ফিরিয়ে আনা এবং এসএসএল কমার্সে ই-অরেঞ্জের কত টাকা আটকে আছে, সে–সম্পর্কিত তথ্য অবিলম্বে প্রকাশ করে আটকে থাকা টাকা গ্রাহকদের ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানান।

আফজাল হোসেন আরও বলেন, প্রশাসনের সামনে ই-অরেঞ্জ ১১ কোটি টাকা তুলে নিয়েছে। এখন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কোনো দায় নিচ্ছে না। ই-ক্যাবও সদস্যপদ বাতিল করে দায় এড়াতে চাইছে। তাই আইনের আওতায় এনে ই-ক্যাবের অসংগতির সুষ্ঠু তদন্ত এবং ই-অরেঞ্জসহ সব ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানকে বৈধতা দানকারী বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে ক্ষতির দায়ভার নিয়ে দ্রুত সমস্যা নিষ্পত্তির দাবি জানান তিনি।
সমস্যার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত কোনো আসামির যাতে জামিন না হয়, সেই দাবিও জানান আফজাল হোসেন।

ভুক্তভোগী গ্রাহকেরা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে উদ্দেশ করে বলেন, ‘আপনারা বলছেন বিষয়টি দেখবেন, কিন্তু এগুলো শুধু কাগজে–কলমে থাকলে হবে না। এর আগে ডেসটিনি, যুবকের টাকা ফিরিয়ে দেওয়ার রায় থাকলেও ১০ বছরেও টাকা ফেরত পায়নি গ্রাহকেরা। তাই শুধু কাগজে–কলমে এসব বললেই হবে না, বাস্তবায়ন চাই। আপনারা সরাসরি বলবেন কবে নাগাদ গ্রাহক টাকা পাবে। না হলে আমাদের আন্দোলন চলবে।’

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন