বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন, জনসাধারণের যাতায়াত, ঈদের আগে ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা, দেশের আর্থসামাজিক অবস্থা এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ইতিমধ্যে বাস, ট্রেন, নৌযানসহ গণপরিবহন চলার ঘোষণা দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। তবে ধারণক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী (যত আসন, তার অর্ধেক) নিয়ে চলবে এসব গণপরিবহন।

কিন্তু ১৪ দিনের কঠোর বিধিনিষেধের শেষ দিন আজ ঢাকার সড়কে মানুষের বেশ ভিড় দেখা গেছে।

বেলা ১১ টাকার দিকে ধানমন্ডির শঙ্কর থেকে কারওয়ানবাজারে অফিসে এসেছেন এক বেসরকারি চাকরিজীবী। তিনি জানান, আসার সময় তাঁকে ধানমন্ডি ২৭ ও আড়ংসংলগ্ন ক্রসিংয়ে বেশ কিছুক্ষণ যানজটে পড়তে হয়। অথচ, আজকের আগে গত কয়েক দিন এখানে তিনি কোনো যানজট দেখেননি।

ফার্মগেটে পুলিশের তল্লাশিচৌকিতে দায়িত্বরত তেজগাঁও ট্রাফিক জোনের সার্জেন্ট হরপ শিকদার বলেন, রাস্তায় অন্যান্য দিনের তুলনায় আজ বেশিসংখ্যক যানবাহন নেমেছে। লোকজন নানা জরুরি প্রয়োজনের অজুহাত দেখিয়ে রাস্তায় বের হওয়ার কথা জানাচ্ছেন। তাঁদের কাছে যৌক্তিক কারণ জানতে চাওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া মাস্ক পরাসহ স্বাস্থ্যবিধি মানতে বলা হচ্ছে।

ঢাকার রাস্তায় পর্যাপ্ত রিকশা থাকলেও ভাড়া বেশি বলে অভিযোগ করেন কয়েকজন বেসরকারি চাকরিজীবী। একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করা ইয়াসিন আলী বলেন, তিনি রিকশায় করে পান্থপথ থেকে যাবেন গুলিস্তানে। গত কয়েক দিন তিনি ৭০ থেকে ৮০ টাকায় গেছেন। কিন্তু আজ তাঁকে ১২০ টাকা দিতে হচ্ছে।

কঠোর বিধিনিষেধ অমান্যের দায়ে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) ৫৫২ জনকে আটক করে। এ ছাড়া একই সময় পর্যন্ত ৬৯৬টি গাড়িকে জরিমানা করে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ।

করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে সরকার এ বছরের ৫ এপ্রিল থেকে ধাপে ধাপে বিধিনিষেধ দিয়ে আসছে। এর পাশাপাশি এবার স্থানীয় প্রশাসনও বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ বিধিনিষেধ জারি করেছিল। কিন্তু তারপরও করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় ১ জুলাই থেকে সারা দেশে চলমান বিধিনিষেধের মেয়াদ আজ শেষ হচ্ছে। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলেও ঈদ ঘিরে বিধিনিষেধ শিথিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন