বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রোবায়েত ফেরদৌস বলেন, ‘আমরা কোথায় আছি? এ রকম সীমাহীন অবিচার বাংলাদেশে দেখতে হবে? তাঁরা প্রান্তিক হাজং জনগোষ্ঠীর সদস্য হওয়ার জন্য কি এই অবস্থা, নাকি একজন বিচারপতি রাষ্ট্রক্ষমতার ওপরের ভাগে থাকেন বলে এই অবস্থা? এই কাঠামোগত বৈষম্যের মধ্য দিয়ে প্রান্তিক মানুষের বিচারের জায়গাটি বন্ধ করা হচ্ছে।’

default-image

মানবাধিকারকর্মী আকরামুল হক বলেন, বাংলাদেশ রাষ্ট্রে ক্ষমতাকাঠামোর বাইরে থাকা সাধারণ মানুষ বিচার পাচ্ছে না। ন্যায়ানুগ আচরণ না করলে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে জনক্ষোভ তৈরি হবে।

মনোরঞ্জন হাজংয়ের ঘটনাটিকে ‘হত্যা প্রচেষ্টা’ বলে আখ্যায়িত করেন যুব ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক খান আসাদুজ্জামান মাসুম। তিনি বলেন, এই হত্যাচেষ্টার বিচার করে বিচারব্যবস্থাকে মানুষের আস্থার জায়গায় ফিরিয়ে আনতে হবে।

ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক দীপক শীল বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছরেও বাংলাদেশে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা যায়নি। এটি আমাদের জন্য দুঃখ ও লজ্জার। বিচার পেতে হলে জনগণকে জাগতে হবে।

প্রকাশক রবিন আহসানের সঞ্চালনায় সমাবেশে অন্যদের মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির তথ্য ও প্রচার বিভাগের সদস্য দীপায়ন খীসা বক্তব্য দেন। পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ ও হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট ফোরাম কর্মসূচিতে সংহতি জানায়।

২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কের চেয়ারম্যানবাড়ী এলাকায় ইউটার্নে একটি দ্রুতগতির বিএমডব্লিউ গাড়ির ধাক্কায় আহত হন মনোরঞ্জন হাজং। পরে তাঁকে প্রথমে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল) নেওয়া হয়। সেখানে অস্ত্রোপচার করে তাঁর ডান পা বাদ দেওয়া হয়। এরপর তাঁকে বারডেম হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

মনোরঞ্জন হাজং এখন রাজধানীর বারডেম জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বাবার এ দুর্ঘটনার জন্য সার্জেন্ট মহুয়া থানায় মামলা করতে গেলে তাঁকে ফিরিয়ে দিয়েছিল পুলিশ। এ নিয়ে সমালোচনার মুখে দুই সপ্তাহ পর ১৬ ডিসেম্বর মামলা নিতে বাধ্য হয় বনানী থানা-পুলিশ। মামলায় অজ্ঞাতনামা তিনজনকে আসামি করা হয়। তবে এর দুই দিন আগেই গুরুতর আহত মনোরঞ্জন হাজংকে দায়ী করে অভিযুক্ত গাড়িচালক সাঈদ হাসান থানায় একটি জিডি করেন।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন