বিজ্ঞাপন

গতকাল মঙ্গলবার আসমা ও রহমান জিজ্ঞাসাবাদে এসব তথ্য দিয়েছেন বলে র‍্যাব জানায়।
র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন আজ বুধবার প্রথম আলোকে বলেন, গত সোমবার রাতে কয়েকজন মুসল্লি দক্ষিণখানের ওই মসজিদের দোতলায় ওঠার সিঁড়িতে রক্তের দাগ দেখতে পেয়ে র‍্যাব-১–কে জানান। পরে র‍্যাব সদস্যরা সেখানে গিয়ে মসজিদের পাশের বাড়ির বাসিন্দা আজহারুলের নিখোঁজ থাকার তথ্য জানতে পারেন। মসজিদ এলাকা থেকে তখন দুর্গন্ধও ছড়াচ্ছিল। এরপর রহমানকে আটক করা হয়। তিনি বলেন, ফেব্রুয়ারিতে আসমার সঙ্গে রহমানের সম্পর্কের বিষয়টি আজহারুল জানার পর তাদের দাম্পত্য কলহ শুরু হয়। রহমান একটি সিম কিনে দিয়ে আসমার সঙ্গে যোগাযোগ এবং বাসার বাইরে দেখা-সাক্ষাৎ করতে থাকেন।

র‍্যাব জানায়, রহমান জিজ্ঞাসাবাদে এই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনার কথা জানান। পরে রহমানকে সঙ্গে নিয়ে সেপটিক ট্যাংক থেকে আজহারুলের ছয় টুকরা লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে গতকাল আসমা বেগমকে আটক করে র‍্যাব। হত্যায় ব্যবহৃত তিনটি ছুরিও উদ্ধার করে র‍্যাব। আটক দুজনকে আজ সকালে দক্ষিণখান থানায় সোপর্দ করা হয়। ওই ঘটনায় আজহারুলের ছোট ভাই আবুল হাসান বাদী হয়ে আসমা ও রহমানকে আসামি করে দক্ষিণখান থানায় হত্যা মামলা করেন।

দক্ষিণখান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আজিজুল হক আজ প্রথম আলোকে বলেন, আসমা ও রহমানকে ১০ দিনের রিমান্ডে চেয়ে আজ ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে পাঠানো হয়। আদালত প্রত্যেকের পাঁচ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন