সুরতহাল তৈরির সময় উপস্থিত সাক্ষী, আত্মীয়স্বজনের বক্তব্য ও চিকিৎসকের দেওয়া মৃত্যুর প্রমাণপত্র অনুযায়ী, চন্দ্রিমা সুপারমার্কেটের সামনে ঢাকা কলেজের ছাত্র ও নিউমার্কেটের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সংঘর্ষে মো. মুরসালিন মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হন। সঙ্গে সঙ্গে পথচারীরা তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। তিনি নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন ছিলেন এবং ওই দিনই বেলা ৩টায় প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। আজ ২১ এপ্রিল সকাল ৭টায় তাঁকে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন।

default-image

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক সাব্বির আহমেদ মৃত্যুসনদে মুরসালিনের মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে লিখেছেন, ‘শক’, ‘মাল্টিপল অর্গান ফেইলিউর’, ‘মাল্টিপল হেমোরেজিক কন্ট্রুসন’ এবং ‘ট্রমাটিক ব্রেইন ইনজুরি’। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, এর অর্থ, আঘাতের কারণে মুরসালিনের মাথার ভেতরে কোথাও কোথাও রক্ত জমাট বেঁধে যায়, প্রচণ্ড রক্তক্ষরণ হয় ও একে একে শরীরের সব অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল হয়ে পড়ে।

বেলা দেড়টার দিকে ময়নাতদন্ত শেষে মুরসালিনের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে কামরাঙ্গীরচরে পশ্চিম রসুলপুরের ভাড়া বাসায় নেওয়া হয়। জানাজা শেষে মুরসালিনকে বিকেলে আজিমপুরে দাফন করা হয়।

মুরসালিনের বড় ভাই নুর মোহাম্মদ জানান, মুরসালিন নিউ সুপারমার্কেটে একটি রেডিমেড কাপড়ের দোকানের বিক্রয়কর্মী হিসেবে চাকরি করতেন। তাঁদের বাড়ি কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার বাতাকান্দি গ্রামে। ঢাকায় কামরাঙ্গীরচরের পশ্চিম রসুলপুরে ভাড়া বাসায় থাকতেন। তাঁর এক ছেলে এক মেয়ে রয়েছে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন