নুরুল বলেন, প্রায় প্রতিবছর বিভিন্ন আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবন ও শিল্পকারখানায় এমন মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলেও এসব প্রতিরোধে সরকারের তেমন সময়োপযোগী ও ফলপ্রসূ পদক্ষেপ লক্ষ করা যায়নি৷ ঘটনা ঘটলে শুধু দায়সারা তদন্ত কমিটি গঠন ও নামমাত্র ক্ষতিপূরণ দেওয়ার মধ্যেই সরকারের কাজ সীমাবদ্ধ থাকে৷ এ কারণেই সড়ক দুর্ঘটনা ও অগ্নিকাণ্ডের মতো ঘটনা বারবার ঘটছে এবং জনজীবনে বিপর্যয়ের পাশাপাশি দেশের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে৷

অগ্নিকাণ্ডে নিহত প্রত্যেকের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ন্যূনতম ২০ লাখ ও আহতদের চিকিৎসার ব্যয়ভার বহনসহ ন্যূনতম ১০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানান তিনি। একই সঙ্গে কর্মক্ষেত্রে শ্রমিকদের নিরাপদ পরিবেশ ও সুরক্ষা নিশ্চিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জোরালো দাবিও জানান।

নারায়ণগঞ্জের এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে তিনটি বামপন্থী ছাত্রসংগঠনের মোর্চা প্রগতিশীল ছাত্রজোটও৷ আগুনে পুড়ে শ্রমিক হত্যাকাণ্ডের বিচার ও ক্ষতিপূরণের দাবিতে আজ দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে তারা একটি সমাবেশ করে৷ জোটের সমন্বয়ক ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের (মার্ক্সবাদী) কেন্দ্রীয় সভাপতি মাসুদ রানার সভাপতিত্বে ও দপ্তর সম্পাদক সালমান সিদ্দিকীর সঞ্চালনায় এই সমাবেশে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের (বাসদ) কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সহসাধারণ সম্পাদক খায়রুল আলম বক্তব্য দেন৷

সমাবেশ থেকে নারায়ণগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং কারখানার মালিককে অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান ছাত্রজোটের নেতারা। উল্লেখ্য, এরই মধ্যে গ্রুপের চেয়ারম্যান, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাসহ (সিইও) ৮ জনকে আদালতের মাধ্যমে চার দিনের রিমান্ডে পেয়েছে পুলিশ।