বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মামলার কাগজপত্রের তথ্য অনুযায়ী, গত সোমবার সকালে ভুক্তভোগী ওই নারী রাজধানীর সদরঘাট থেকে একটি বাসে ওঠেন। এ সময় ওই নারীর সঙ্গে তাঁর কলেজপড়ুয়া মেয়ে ছিল। মেয়েকে কোচিং করানোর উদ্দেশ্যে সদরঘাট থেকে ফার্মগেটে আসছিলেন তিনি। বাসটি জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে পৌঁছালে আসামি রমজান আলী ভুক্তভোগী নারীর গা ঘেঁষে দাঁড়িয়ে তাঁকে যৌন নিপীড়ন করেন। ওই সময় নিষেধ করা হলেও রমজান আলী তাতে কর্ণপাত করেননি। বাসটি যখন মৎস্য ভবন মোড়ে পৌঁছায়, তখনো যৌন নিপীড়ন অব্যাহত থাকলে ভুক্তভোগী নারী চিৎকার করেন। তখন বাসের যাত্রীরা রমজানকে মারধর করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।

পরে ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় রমজান আলীর বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মামলা করেন। এ ঘটনায় যৌন নিপীড়নের প্রমাণ হিসেবে কিছু আলামত জব্দ করেছে পুলিশ।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. জব্বার আজ রাতে প্রথম আলোকে বলেন, আসামি রমজান আলী বিদেশে ছিলেন। সম্প্রতি দেশে এসে একটি দোকানে বিক্রয়কর্মীর কাজ করছিলেন। বাসের ভেতরে নারীকে যৌন নিপীড়ন করার ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন