এর আগে মাইনুদ্দিন ইসলামের মা রাশেদা বেগম বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। এ ছাড়া গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা করেছে। এ মামলায় ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে মামলা দুটির কথা প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেন রামপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম।

ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, নিহত শিক্ষার্থী মাইনুদ্দিনের মা রাশেদা বেগম বাদী হয়ে নিরাপদ সড়ক আইনে একটি মামলা করেন। এ মামলায় অনাবিল পরিবহনের বাসচালককে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। উত্তেজিত জনতার পিটুনিতে আহত হওয়ায় তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পুলিশি পাহারায় চিকিৎসাধীন। চালকের নাম সোহেল বলে প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছে পুলিশ।

default-image

সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে রামপুরা টিভি রোডের পলাশবাগ এলাকায় বাসচাপায় নিহত হয় মাইনুদ্দিন। সে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ফলাফলের অপেক্ষায় ছিল।

default-image

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মাইনুদ্দিন তার ভগ্নিপতি সাদ্দাম হোসেনের সঙ্গে রাস্তা পার হচ্ছিল। এ সময় অনাবিল পরিবহনের একটি বাস আরেক পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে গিয়ে মাইনুদ্দিনকে চাপা দেয়। এতে সে ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। মাইনুদ্দিন নিহত হওয়ার পর বিক্ষুব্ধ জনতা নয়টি বাস আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়। এ সময় আরও তিনটি বাস ভাঙচুর করা হয়। ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন বাসচালককে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন