বিজ্ঞাপন

২০১৮ সালের ২৮ এপ্রিল মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারে গ্রিনলাইন পরিবহনের একটি বাস চাপা দেয় রাসেলকে। যাতে তিনি পা হারান।

রাসেলের পা হারানোর ঘটনায় কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী উম্মে কুলসুম একটি রিট করেন। একই বছরের ১৪ মে হাইকোর্ট রুল দেন। রুলে রাসেলকে কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়।

এর ধারাবাহিকতায় গত বছরের মার্চে হাইকোর্ট এক আদেশে রাসেলকে ৫০ লাখ টাকা দিতে এবং প্রয়োজন হলে তাঁর পায়ে অস্ত্রোপচার ও কাটা পড়া বাঁ পায়ে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃত্রিম পা লাগানোর খরচ বহন করতে গ্রিন লাইন পরিবহনকে নির্দেশ দেন আদালত।

পরে আদালতের এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করে গ্রিন লাইন পরিবহন কর্তৃপক্ষ। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের অক্টোবরে আপিল বিভাগে প্রতি মাসে রাসেলকে ৫ লাখ টাকার করে কিস্তিতে গ্রিন লাইন কর্তৃপক্ষকে অর্থ পরিশোধ করতে দেওয়া আদেশ স্থগিত হয়। রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়।

পরবর্তীতে হাইকোর্টে গত ৫ মার্চ রুলের ওপর শুনানি শেষ হয়। সেদিন আদালত ১৫ এপ্রিল রায়ের জন্য তারিখ রাখেন। তবে করোনা সংক্রমণের কারণে আদালতে ছুটি থাকায় ধার্য তারিখে রায় হয়নি।

এরপর রায় প্রদানের জন্য রিটটি কার্যতালিকায় ওঠে। সে অনুসারে আজ রায়ের জন্য দিন ছিল। রায়ের আগে আদালত পক্ষগুলোর বক্তব্য শোনেন। এরপর ওই সিদ্ধান্ত দিয়ে রায় দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে আইনজীবী খন্দকার শামসুল হক রেজা শুনানি করেন। গ্রিন লাইনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী শাহ মঞ্জুরুল হক। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার। সঙ্গে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এম সাইফুল আলম। বিআরটিএর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. মোয়াজ্জেম হোসেন।

ইতিপূর্বে রাসেল সরকার প্রথম আলোকে বলেন, রায়ের আগে উচ্চ আদালতের আদেশের পর গেল বছর দুই দফায় ১০ লাখ টাকা দিয়েছে গ্রিন লাইন। আর চিকিৎসাবাবদ ৩ লাখ ৪২ হাজার টাকা দিয়েছে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন