বিজ্ঞাপন

সমাবেশে সাংবাদিক নেতাদের দাবি, রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে করা মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে। সাংবাদিক হয়রানির এ ঘটনায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়ী কর্মকর্তাদের বিচার করতে হবে।

সমাবেশে নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, এই সরকার রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে কোনো কিছু প্রমাণ করতে পারেনি। এরপরও জামিন দেওয়ার সময় শর্ত দিয়েছে, তাঁর পাসপোর্ট রেখে দিতে হবে। রোজিনার পাসপোর্ট রেখে দেওয়া মানে, যাঁরা লেখালেখি করেন, তাঁদের সতর্ক করা।

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সাবেক সভাপতি শওকত মাহমুদ বলেন, রোজিনা ইসলাম করোনার মধ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দুর্নীতি প্রকাশ করেছেন। আর এই সরকারের অবস্থান হচ্ছে দুর্নীতির পক্ষে। দুর্নীতিবাজদের জেল হয় না, শাস্তি হয় না, শাস্তি হয়েছে রোজিনার। এই সরকার যেদিন সংবাদপত্রের স্বাধীনতার কথা বলছে, তার পরদিন সাংবাদিক গ্রেপ্তার করা হচ্ছে, নয়তো কোনো সংবাদপত্র বন্ধ হচ্ছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক সহসভাপতি (ভিপি) মো. নুরুল হক নুরু বলেছেন, সচিবালয়ের মতো জায়গায় এক গণমাধ্যমকর্মীকে ছয় ঘণ্টা আটকে রাখার অধিকার কোনো সরকারি কর্মকর্তার নেই। তিনি যদি কোনো অপরাধ করতেন, তবে তাঁকে প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করতে পারতেন তাঁরা। কিন্তু তা না করে তাঁকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি কাদের গণি চৌধুরী বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছরে এসেও বাংলাদেশের সংবাদপত্র চরম ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। সাংবাদিকেরা নিরাপদ নন, কোনো সাংবাদিক আহত হচ্ছেন, গ্রেপ্তার হচ্ছেন, নিপীড়নের শিকার হচ্ছেন, যা গণতন্ত্রের জন্য খারাপ।

ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বলেন, রোজিনা ইসলামের মুক্তির দাবিতে সাংবাদিকেরা একসঙ্গে রাজপথে নেমেছেন।

সমাবেশে বক্তব্য দেন, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফাউন্ডেশনের নারীবিষয়ক সম্পাদক আজিজা ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক এস এম তাজুল ইসলাম প্রমুখ।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন