ফুরিয়ে যাওয়ার আগে কেন্দ্রটিতে টিকা না আনায় ভোগান্তি পোহাতে হয় অপেক্ষমাণ নগরবাসীকে। দুপুরে না খেয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন তাঁদের অনেকেই। কর্তৃপক্ষের অদূরদর্শিতার কারণে এমন দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা লোকজন।

এ সময় কথা হয় মোহাম্মদপুরের বাসিন্দা গৃহিণী তহুরা বেগমের সঙ্গে। তিনি সকাল ১০টায় টিকা নিতে আসেন। প্রায় সাত ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পর সন্ধ্যা পৌনে ছয়টায় অবেশেষে টিকা নেওয়ার সুযোগ পান এই নারী। তিনি বলেন, ‘আমার সামনে যখন প্রায় ১০ জনের মতো দাঁড়ানো ছিল, তখন বলা হয় টিকা শেষ হয়ে গেছে। আগে ব্যবস্থা নিলে আমি তিনটার দিকেই টিকা পেয়ে যেতাম।’

বিকেল সাড়ে পাঁচটার পর মুঠোফোনে কথা হয় ডিএনসিসি ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের সচিব মো. আলমগীরের সঙ্গে। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, তিন ঘণ্টা টিকা ছিল না। সাড়ে পাঁচটায় আবার টিকা আনা হয়েছে। এখনো লাইনে প্রায় এক হাজার মানুষ দাঁড়িয়ে।

সন্ধ্যা ছয়টার দিকে ইতি আক্তার নামের আরেকজন গৃহিণী বলেন, ‘পাঁচ ঘণ্টার বেশি সময় লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। এখন সামনে প্রায় ৩০ জন আছে। আর কতক্ষণ যে লাগবে, বলা যাচ্ছে না।’ কর্তৃপক্ষের অদূরদর্শিতার কারণে শত শত মানুষকে অমানবিক দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন এই নারী।

এই কেন্দ্রে টিকা দেওয়ার দায়িত্ব পালন করেন নারী মৈত্রী নামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা। প্রতিষ্ঠানটির তত্ত্বাবধায়ক আবুল কালাম আজাদ প্রথম আলোকে বলেন, সকালে ২ হাজার ২০০ টিকা আনা হয়েছিল। দুপুরের মধ্যেই সব টিকা শেষ হয়ে যায়। পরে আবার ২ হাজার ৪০০ টিকা আনা হয়েছে। সন্ধ্যা পৌনে ছয়টার দিকে টিকাদান কার্যক্রম চলছে বলেও জানান ওই কর্মকর্তা।

রাত ১০টার দিকে ডিএনসিসি ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের সচিব মো. আলমগীর ফোনে জানান, লাইনে থাকা সবাইকে টিকা দিতে দিতে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা হয়ে গিয়েছিল। তবে সবাই টিকা নিয়েই বাড়ি গেছেন।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন