বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মইনুদ্দিন আবদুল্লাহ বলেন, জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করা এবং দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রমে তারা যেন অংশীজন হয়, এ দায়িত্ব মানুষের মধ্যে সৃষ্টির লক্ষ্যে দুর্নীতিবিরোধী দিবস পালন করা হয়।

দুদকের চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘আজকে আমরা সরকারিভাবে দুর্নীতিবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবসটি পালন করছি। দেশের সব বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে দিবসটি পালন করা হচ্ছে। এতে প্রশাসন, সুশীল সমাজ, ছাত্র-শিক্ষকসহ সর্বস্তরের জনগণ অংশ নেবে। ঢাকায় আটটি জায়গায় মানববন্ধন হবে। একইভাবে দেশের সব জেলা-উপজেলায় মানববন্ধন হবে। এর উদ্দেশ্য জনগণকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সচেতন করা।’

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সামনে দুদক আয়োজিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশ নেন।

মানববন্ধনে দুদকের চেয়ারম্যান মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ বলেন, ‌‘আমাদের প্রধান সমস্যা হচ্ছে অনুসন্ধান ও তদন্তে যে দীর্ঘসূত্রতা আছে, ওটা কীভাবে কমিয়ে আনা যায়, সে পরিকল্পনা করা। আমরা বাস্তবভাবে পরিকল্পনা করছি দুর্নীতি নিয়ে জনগণের যে প্রত্যাশা, এর কাছাকাছি যাওয়ার।’

দুদক অর্থ পাচারকারীদের যে তালিকা উচ্চ আদালতে জমা দিয়েছে, সে বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ বলেন, ‘অর্থ পাচারের বিষয়টি মানি লন্ডারিং আইনের মধ্যে আছে। আইনের ২৮টি ধারা আছে। শুধু একটি ধারা ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে যে অর্থ পাচার হয়, সে অংশ আমরা দেখতে পারি। ওটা দেখার জন্য, তদন্ত-অনুসন্ধানের জন্য নির্ভরশীল থাকতে হয় বিভিন্ন সংস্থার ওপর। তারা যদি সময়মতো ও যথাযথভাবে চাহিদা অনুযায়ী কাগজপত্র সরবরাহ করে, তবেই দীর্ঘসূত্রতা কমিয়ে আনা সম্ভব।’

দুদকের কমিশনার (অনুসন্ধান) মোজাম্মেল হক খান বলেন, অর্থ ফেরত আনার জন্য বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট অনেক দেশে এমএলএআর পাঠানো হয়েছে। আদালতের রায়ের মাধ্যমে অর্থ ফেরত আনা হবে।

এদিকে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস উপলক্ষে শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। আলোচনায় প্রধান অতিথি হিসেবে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও বিশেষ অতিথি হিসেবে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন উপস্থিত থাকবেন।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন