বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সোমবার (৪ অক্টোবর) থেকে আগামী ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশ মাছ ধরা, বিক্রি ও মজুত নিষিদ্ধ করেছে সরকার। এ কারণে রোববার সকাল থেকে কারওয়ান বাজারের মাছের আড়তে ইলিশে ভরে যায়। দিনভর ভালো দামে বিক্রি করতে পারলেও সন্ধ্যার পরও আড়তে অনেক অবিক্রীত ইলিশ রয়ে যায়। সোমবার সকাল থেকে ইলিশ বিক্রি ও মজুত বন্ধ থাকবে তাই মাছ ব্যবসায়ীরা রোববার রাতে তুলনামূলক কম দামে ইলিশ বিক্রি করেন। কিন্তু মধ্যরাতে যখন ক্রেতা কমে আসে, তখন মাছ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়ার কথা জানান কয়েকজন মাছ ব্যবসায়ী ।

তাদের একজন আবদুর রহমান বলেন, ‘বড় আকারের যে ইলিশের দাম পাঁচ দিন আগেও ছিল ১৫০০ টাকা কেজি, সেই ইলিশ এখন বিক্রি করতে হচ্ছে এক হাজার টাকায়। তারপরও তো ক্রেতা পাচ্ছি না। আড়তে যদি ইলিশ থাকে, রাত পোহালে পুলিশ অভিযান চালাবে। জরিমানা করবে। বেশ দুশ্চিন্তায় রয়েছি।’

default-image

কুড়ি বছর ধরে কারওয়ান বাজার মাছের আড়তে মাছ বিক্রির সঙ্গে জড়িত আবদুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘যেদিন থেকে ইলিশ মাছ ধরা ও বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়, তার আগের দিন এই বাজারে ইলিশে ভরে যায়। ক্রেতা যদি বেশি থাকে, তাহলে ভালো দামে বিক্রি হয়। তবে ক্রেতা কম হলে ইলিশের দাম পড়ে যায়। তখন অনেকে লোকসানে ইলিশ বিক্রি করে দিতে বাধ্য হন। এবার হয়েছে তাই। আড়তে এত ইলিশ ওঠে, সেই তুলনায় ক্রেতা কম ছিল। ফলে ইলিশের দাম পড়ে গেছে। সন্ধ্যার পর অনেকে লোকসানে ইলিশ বিক্রি করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন।’

সাধারণত, কারওয়ান বাজার মাছের আড়তে কাকডাকা ভোরবেলা মাছ বিক্রি শুরু হয়, চলে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত। তবে রোববার ছিল এর ব্যতিক্রম, এদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ইলিশ বিক্রি চলে আড়তগুলোতে।

মাছের দাম তুলনামূলক কম হওয়ায় রোববার রাত সাড়ে ১১টায় শুধু ইলিশ মাছ কিনতেই বাজারে আসেন মগবাজারের বাসিন্দা জুবায়ের হোসেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার অফিস কারওয়ান বাজারে। বিকেলের দিকে অফিস থেকে বাসায় যাই। তবে যাওয়ার পথে কারওয়ান বাজারের মাছের আড়তে মানুষের ভিড় দেখি। বড় আকারের ইলিশ কিছুটা কম দামে কিনতে দেখি। বাসায় ফিরে আবার রাতে এই আড়তে আসি। কম দামে কয়েকটি ইলিশ আজ কিনেছি।’

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন