বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, সাংবাদিক বজলুর রহমান একজন দেশপ্রেমিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা, নিরহংকারী মানুষ ছিলেন। তিনি অজ্ঞতা, অন্যায় ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছেন। সুস্থ ও সচেতন সমাজ বিনির্মাণে সাংবাদিকতাকে কীভাবে কাজে লাগানো যায়, সেই শিক্ষা দিয়ে গেছেন। তাঁর জীবন ও কর্ম থেকে শিক্ষা নিয়ে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার চর্চা করতে হবে।

শিরীন শারমিন চৌধুরী আরও বলেন, ১৯৭৫–এর ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নির্মমভাবে সপরিবার হত্যার পর এ দেশের স্বাধীনতার ইতিহাসকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার অপপ্রয়াস চালানো হয়। তাই স্বাধীনতার প্রকৃত ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা সবার কর্তব্য।

স্পিকার বলেন, সংবাদকর্মীরা নিয়মিতভাবে মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা, বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামী জীবন নিয়ে প্রতিবেদন করছেন। এ ছাড়া মুক্তিযুদ্ধে মহান শহীদদের আত্মত্যাগ, স্বাধীনতার চেতনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে নিবিড় গবেষণার মাধ্যমে সাংবাদিকেরা প্রতিবেদন তৈরি করছেন, যা বর্তমান ও আগামী প্রজন্মকে স্বাধীনতার প্রকৃত ইতিহাস সম্পর্কে অবহিত করে চলেছে।

স্পিকার আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু স্বাধীন কিন্তু দায়িত্বশীল গণমাধ্যমের কথা বলে গেছেন। বর্তমান সরকার সব সময়ই দায়িত্বশীল ও জনকল্যাণকর সাংবাদিকতার পক্ষে। সংবাদপত্র ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া এখন স্বাধীনভাবে কাজ করছে। বস্তুনিষ্ঠ সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে গণমাধ্যম গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করে তোলে। গণমাধ্যম মানুষকে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের জায়গায় সাহায্য করে। তাই গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পাশাপাশি দায়িত্বশীলতার বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সাংবাদিকতার জন্য মো. মামুন চৌধুরী ও রাজন ভট্টাচার্য এবং শাহনাজ শারমিনের নেতৃত্বে থাকা নাগরিক টিভির টিমকে ‘বজলুর রহমান স্মৃতিপদক-২০২০’ প্রদান করা হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি সারওয়ার আলী স্বাগত বক্তব্য দেন। এ সময় জুরিবোর্ডের সদস্য নওয়াজেশ আলী খান, রোবায়েত ফেরদৌস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন