আমাদেরও তো তেল-চাল কিনে খেতে হয়। বাজারে যে হারে এসব জিনিসের দাম বেড়েছে, তাতে সবজির দাম কম রাখা যায় না।
রিয়াদ খান, সবজি বিক্রেতা, মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট

ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে ভোজ্যতেল, চাল, ডালসহ বিভিন্ন নিত্যপণ্যের দামের ঊর্ধ্বগতির প্রভাব কাঁচাবাজারেও পড়েছে। চাষি, ফড়িয়া, পাইকার ও খুচরা বিক্রেতাদের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে। তাঁরা সবজি বিক্রি করে সেই খরচ ওঠাচ্ছেন।

default-image

গতকাল শুক্রবার রাজধানীর মিরপুর-১ নম্বর সেকশনের শাহ আলী কাঁচাবাজার, মোহাম্মদপুরের কৃষি মার্কেট কাঁচাবাজার, ধানমন্ডির রায়ের বাজার ও কারওয়ান বাজার ঘুরে দেখা যায়, বেগুন ও বরবটি ৭০ থেকে ৮০ টাকা এবং পটোল, করলা ও ঢ্যাঁড়স ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা দরে, পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগে যা ৪০ টাকার নিচে ছিল। ঝিঙে, চিচিঙ্গা ও ধুন্দলের দামও কম নয়, ৪০ থেকে ৬০ টাকা কেজি। এমনকি ছোট মিষ্টিকুমড়া ও জালিকুমড়ার দাম রাখা হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা।

মিরপুর শাহ আলী কাঁচাবাজার থেকে এক কেজি করে বেগুন ও ঢ্যাঁড়স কেনেন টোলারবাগের বাসিন্দা বেসরকারি একটি হাসপাতালের নার্স লাবিবা খান। তিনি বলেন, সাধারণত এই সময়ে বাজারের প্রায় প্রতিটি সবজি ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে কেনা যায়। কোনো কোনোটি ৩০ টাকায়ও বিক্রি হয়। এ বছর রমজান মাস শেষ হলেও বেগুনের কেজি ৭০ টাকার নিচে নামছে না।

সবজির দাম এখন এতটা চড়া কেন, জানতে চাইলে মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটের বিসমিল্লাহ সবজি ভান্ডারের বিক্রেতা রিয়াদ খান প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদেরও তো তেল-চাল কিনে খেতে হয়। বাজারে যে হারে এসব জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে, তাতে সবজির দাম কম রাখা যায় না।’

বাজারে পবিত্র রমজান মাসের মাঝামাঝিতে যে আকারের নলা ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল, গতকাল তা ১৮০-২০০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা যায়। চাষের কই ২৫০ থেকে ২৮০, পাঙাশ ১৭০ থেকে ১৮০, মাঝারি তেলাপিয়া ১৫০ থেকে ১৬০ ও চাষের সরপুঁটি ১৮০ থেকে ২০০ টাকা কেজি কিনতে হচ্ছে। বিক্রেতারা বলছেন, এক সপ্তাহে এসব মাছের দাম ২০ থেকে ৪০ টাকা বেড়েছে।

মোহাম্মদপুরের কৃষি মার্কেট কাঁচাবাজারের মাছ বিক্রেতা গুড্ডু মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, রাজধানীতে মাছের সরবরাহও এখন কিছুটা কম।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন