বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সকালে করোনার টিকা দেওয়ার পরিবর্তে এই কেন্দ্রে বেলা আড়াইটা থেকে টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্তের বিষয়টি কাউন্সিলরের লোকজন জানেন। তথ্যটি ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের জানানো হয়নি। এতে টিকা নিতে আসা লোকজন চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

বেলা ১১টায় মেয়েকে নিয়ে এই কেন্দ্রে টিকা নিতে এসেছিলেন বাউনিয়াবাদ এলাকার বাসিন্দা শামীমা বেগম। টিকা না পেয়ে চলে যাওয়ার সময় তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা জানি না বিকেলে টিকা দেওয়া হবে। যাঁদের নিবন্ধন আছে, তাঁরা গেলেই টিকা পাবেন, বিভিন্ন মাধ্যমে এমন প্রচার দেখেই টিকা নিতে এসেছিলাম। এখন এই কেন্দ্র থেকে বলেছে কাউন্সিলরের কার্যালয় যেতে। এটা এক ধরনের হয়রানি।’

শামীমা বেগমের মতো শত শত মানুষ সকাল থেকেই কেন্দ্রে এসে ফিরে গেছেন। এমনই একজন সি ব্লকের বাসিন্দা হাসানুজ্জামান। ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে গণটিকাদান কর্মসূচি নিয়েও জটিলতা হবে এটা তাঁর চিন্তার বাইরে ছিল।

default-image

কখন টিকা দেওয়া শুরু হবে এমন কোনো সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন কি না, জানতে চাইলে ঢাকা উত্তর সিটি উপপ্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা লে. কর্নেল মো. গোলাম মোস্তফা সারওয়ার প্রথম আলোকে বলেন, এই বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। সংস্থার প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বলতে পারবেন।

পরে ঢাকা উত্তর সিটির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা‌ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জোবায়দুর রহমানকে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি‌ ফোন ধরেননি।

এদিকে সকালে টিকা দেওয়ার পরিবর্তে বেলা আড়াইটা থেকে টিকা দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত হয়েছে এ নিয়ে ৫ নম্বর ওয়ার্ডে কোনো প্রচারণা চালানো হয়নি। এমনকি কেন্দ্রের সামনে সময় পরিবর্তনসংক্রান্ত কোনো নোটিশ বোর্ডে টাঙানো হয়নি।

জানতে চাইলে ওয়ার্ডের সচিব আবু সাঈদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘আগে সিদ্ধান্ত ছিল সকাল নয়টা থেকে টিকা দেওয়া হবে। গতকাল রাতে আবার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হয়েছে।‌ বলা হয়েছে আড়াইটা থেকে টিকা দেওয়া শুরু হবে। আমরা এই তথ্য পেয়েছি দেরি করে।’

মানুষকে জানানোর বিষয়ে আবু সাঈদ বলেন, ‘এর আগে তো আমরা দুইবার করোনার গণটিকা দিয়েছি। সেখানে আমাদের বড় স্বেচ্ছাসেবী দল ছিল।‌ তারাই সময় পরিবর্তনের বিষয়টি ব্যক্তি উদ্যোগে প্রচারণা চালিয়েছে।’‌

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন