এই অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ডেসকো পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান শেখ ফয়েজুল আমিন। এ ছাড়া আরও উপস্থিতি ছিলেন বিদ্যুৎ সচিব মো. হাবিবুর রহমান, ডেসকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. কাউসার আমীর আলী প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে নসরুল হামিদ বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করতে না পারলে আর্থিক যে ক্ষতি হবে তার প্রভাব দীর্ঘমেয়াদি হবে।

এই ২৪টি ৩৩/১১ কেভি সাবস্টেশন ডিজাইন, সরবরাহ, ইনস্টলেশন ও কমিশনিং করার উদ্দেশ্যে ২০১৭ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর ডেসকোর সঙ্গে সিমেন্স লিমিটেড ইন্ডিয়া, সিমেন্স বাংলাদেশ কনসোর্টিয়ামের চুক্তি কার্যকর হয়। এই চুক্তি অনুসারে ১৮ মাসের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করার করা ছিল। এই প্রকল্পের অর্থায়ন করছে এডিবি। এই কাজে দেরি হওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, থার্ড পার্টি দিয়ে এ কাজগুলোর গুণগতমান পুনরায় পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

২৪টি সাবস্টেশন চালু হলে সংশ্লিষ্ট এলাকায় ৪ লাখ ৫০ হাজার নতুন গ্রাহক বিদ্যুৎ সুবিধা পাবেন। এ ছাড়া সিস্টেম লস কমবে, কম-ভোল্টেজ সমস্যা সমাধান হবে, উত্তরা তৃতীয় ফেজ ও পূর্বাচলে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা শক্তিশালী হবে এবং মানসম্পন্ন বিদ্যুতায়নে গ্রাহক সন্তুষ্টি বাড়বে বলা হচ্ছে।