বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ বলেছেন, গত ছয় মাসে দেশে ১ হাজার ৪৯৪টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ঘটেছে ৪৭৮টি। গত ছয় মাসে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ৩৩৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ২৩৯ জনের হেলমেট ছিল না। আর আহত হয়েছেন ৩০৫ জন, যাঁদের মধ্যে ২২৪ জনের হেলমেট ছিল না। মানসম্মত হেলমেট না থাকায় এত মানুষের হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

অনুষ্ঠানে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলম বলেন, বাংলাদেশে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের অধিকাংশই তরুণ। দেশে ব্যবহৃত হেলমেটের বড় অংশই মানসম্মত নয়। পুলিশি ঝামেলা এড়ানোর জন্য মোটরসাইকেলচালক ও আরোহীরা এগুলো ব্যবহার করেন। নিম্নমানের হেলমেট ব্যবহার বন্ধে নীতিমালা থাকা প্রয়োজন; যাতে আমদানিকারকেরা এসব আমদানি করতে না পারে। এ জন্য দেশেই মানসম্মত হেলমেট তৈরিতে বিনিয়োগকারীদের উৎসাহিত করতে হবে।

মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৩ থেকে ৫ শতাংশ আমরা সড়ক দুর্ঘটনার কারণে হারাই বলে মন্তব্য করেন বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট হার্টউইগ শ্যাফার। তিনি বলেন, সড়কে নিরাপত্তা সংকট বৈশ্বিক মহামারিতে রূপ নিয়েছে।

এ সময় বাংলাদেশে নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বন বলেন, হেলমেট ব্যবহার করে সহজেই মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মৃত্যু ও আহত হওয়ার ঝুঁকি কমানো সম্ভব। জাতিসংঘের সেফটি হেলমেট এখন থেকে বাংলাদেশে উৎপাদন করা হবে। প্রতিটি হেলমেট কিনতে খরচ পড়বে দেড় হাজার টাকার মতো।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদার বলেন, দেশে ব্যবহৃত হেলমেটের মান নির্ধারণের কাজ হচ্ছে। এ লক্ষ্যে ইতিমধ্যে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে ব্র্যাকের সড়ক নিরাপত্তা কর্মসূচির পরিচালক আহমেদ নাজমুল হোসেন বলেন, ‘সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করতে গত বছরের জুলাইয়ে ব্র্যাকের সঙ্গে বিশ্বব্যাংকের সমঝোতা হয়। আমরা আশাবাদী, এই মানসম্মত হেলমেট খুব দ্রুতই বাজার দখল করতে পারবে।’

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন