পরে বিকেল সোয়া চারটার দিকে কলেজের শহীদ আ ন ম নজিব উদ্দিন খান খুররম মিলনায়তনে ছাত্রলীগের নেতারা সম্মিলিতভাবে বলেন, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তাঁরা হল ও ক্যাম্পাস বন্ধের সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করছেন। যেকোনো মূল্যে তাঁরা আবাসিক হল ও ক্যাম্পাসে অবস্থান করবেন।

সেখানে ঢাকা কলেজ শাখা ছাত্রলীগের নেতা ফুয়াদ হাসান বলেন, ‘প্রয়োজনে আমরা লাশ হয়ে বের হব। তবু হল-ক্যাম্পাস ছাড়ব না। সাধারণ ছাত্রদের ওপর যে হামলা চালানো হয়েছে, এর বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব। ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষকে আমরা সুন্দর সমাধান করতে বলেছি। সেটি না হলে আমরা তাঁর পদত্যাগ দাবি করছি।’

এর আগে ঢাকা কলেজের ছাত্রদের শান্ত করতে দুপুরে ক্যাম্পাসে যান ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য। সেখানে তাঁরা ছাত্রলীগের কলেজ শাখার নেতা-কর্মীদের তোপের মুখে পড়েন। দীর্ঘদিন ঢাকা কলেজে ছাত্রলীগের কমিটি না হওয়ায় ক্ষোভ জানিয়ে তাঁরা বলেন, কমিটি থাকলে ব্যবসায়ীরা এত সাহস পেতেন না।

হল বন্ধের ঘোষণার পর আল নাহিয়ান ও লেখক কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের কার্যালয়ে যান। লেখক ভট্টাচার্য বলেন, ‘হল বন্ধ করে দেওয়া কোনো সমাধান নয়। প্রয়োজনে মার্কেট বন্ধ হবে, হল নয়।’

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন