বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ ছাড়া হিন্দুদের বাড়িঘরে ৭৪৭টি হামলা, ৯৯৪টি প্রতিমা ভাঙচুর ও আগুনের ঘটনা এবং ৩১টি দোকান ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। ১১ হাজার ৫০৭টি হিন্দু পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় আছে। এতে মোট ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৩৮ কোটি টাকা।

সংগঠনটির অভিযোগ, হামলার প্রতিবাদ করায় হিন্দু সম্প্রদায়ের ১৭ জনকে ডিজিটাল সিকিউরিটি নিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গত ১৩ অক্টোবর হামলা শুরুর পর নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত হিন্দু মহাজোটের কেন্দ্রীয় কমিটি, নারায়ণগঞ্জ মহানগর কমিটি, চট্টগ্রাম জেলা কমিটি ও সংশ্লিষ্ট জেলা কমিটির ৭০ থেকে ৮০ জন সদস্য এসব তথ্য সংগ্রহ করেন। সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন হিন্দু মহাজোটের মহাসচিব গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক। তিনি বলেন, হামলার ঘটনাটি ছিল পরিকল্পিত ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। হামলাকারীরা ধর্মকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেছে। রাজনৈতিক নেতাদের কারণে প্রশাসন হামলা বন্ধে এগিয়ে আসতে পারেনি। পরবর্তী সময়ে দুষ্কৃতকারীরা এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে হামলা অব্যাহত রেখেছে। গতকাল বৃহস্পতিবারও বরিশালের বামনাকাঠীতে প্রতিমা ভাঙচুর করা হয়েছে।

সংগঠনটি দাবি জানায়, ক্ষতিগ্রস্ত সব মন্দির-বাড়িঘর পুনর্নির্মাণ ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। জাতীয় সংসদে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জন্য ৬০টি সংরক্ষিত আসন এবং পৃথক নির্বাচনব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হবে। একটি সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায় থেকে একজন পূর্ণ মন্ত্রী নিয়োগ দিতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে ভারতের সংখ্যালঘু মুসলমান সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করা হয়। তাঁরা এ ধরনের হামলা বন্ধ করার জন্য ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানায়।

সংবাদ সম্মেলনে আরও কথা বলেন হিন্দু মহাজোটের নির্বাহী সভাপতি দীনবন্ধু রায়, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি প্রদীপ কুমার পাল, প্রধান সমন্বয়কারী বিজয় কৃষ্ণ ভট্টাচার্য ও নারীবিষয়ক সম্পাদক প্রতীভা বাকচী।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন