পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের উপকমিশনার মিশুক চাকমা গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, বংশালের একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে রেজওয়ানকে আটক করা হয়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আজিমপুর এলাকা থেকে বাকিদের ধরা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সবাই হিযবুত তাহ্‌রীর সক্রিয় সদস্য বলে স্বীকার করেছেন।

এই চার শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দেওয়া হয়েছে। ওই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গতকাল তাঁদের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

গত শনিবার দিবাগত রাতে আজিমপুরের একটি ফ্ল্যাট থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ছাত্র আশিকুর রহমানকেও তুলে নেওয়া হয়েছিল।

পরদিন রোববার তাঁর সন্ধান দাবিতে ক্যাম্পাসে সমাবেশ করেছিলেন বিভাগের শিক্ষক–শিক্ষার্থীরা। ওই সন্ধ্যায় তাঁকে ‘খুব ভালো ছেলে’ উল্লেখ করে অভিভাবকের হাতে তুলে দিয়েছিলেন গোয়েন্দা পুলিশের কর্মকর্তারা।

সিটিটিসি কর্মকর্তারা বলেন, হিযবুত তাহ্‌রীরের সদস্যরা দেশে অরাজকতা তৈরির লক্ষ্যে নতুন করে তৎপর হয়েছেন। ১৮ মার্চ তাঁরা অনলাইনে একটি সম্মেলন করেন। ওই সম্মেলন সফল করতে একটি গোপন আস্তানায় বৈঠক করেছিলেন তাঁরা।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন