বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া তিনজনের বিরুদ্ধে মুগদা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। মামলায় আজ দুপুরে তাঁদের সাত দিন করে রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে পাঠানো হয়। আদালত আগামী রোববার শুনানির দিন ধার্য রেখে তাঁদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

অভিযান পরিচালনাকারী মুগদা থানার পরিদর্শক আশীষ কুমার দেব প্রথম আলোকে বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কামাল পুলিশকে বলেছেন, তিনি এক বছর ধরে মাদকের কারবার চালিয়ে আসছেন। তাঁর অন্য পেশা নেই। ইয়াবার চালান আনার জন্য তিনি মাইক্রোবাসটি কিনেছেন এবং রাজীবকে চালক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। এই মাইক্রোবাসে করে কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে ইয়াবা এনে তিনি ও তাঁর স্ত্রী ঢাকায় বিক্রি করেন। ডেমরার বড় ভাঙার একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়েছেন মাদক বেচাকেনার জন্য। কামালের (৫৯) বাড়ি ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার বাটামারার পণ্ডিত বাড়িতে।

মতিঝিল বিভাগের পুলিশের উপকমিশনার মো. আ. আহাদ প্রথম আলোকে বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে রিমান্ডের আবেদন মঞ্জুর হলে তাঁদের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে এই চালানের পেছনে কারা আছে, তা জানা যাবে এবং সংশ্লিষ্ট চক্রকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন