অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ঘোষণা করেন শিক্ষাবিদ ও লেখক মুহম্মদ জাফর ইকবাল। তিনি উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ‘যে কবছর বাঁচব, জীবন উপভোগ করব। বিজ্ঞান পড়তে হবে। সবাই হয়তো বিজ্ঞানী হবে না, কিন্তু বৈজ্ঞানিক চিন্তা করতে হবে। প্রশ্ন করতে হবে।’ তিনি জানান, বিজ্ঞান খুব মজার জিনিস। বিজ্ঞানে সব সময় বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে ভাবতে হয়। তবে এ সমস্যা ভালো সমস্যা, যা থেকে সুন্দর সমাধান বের হয়।

বিকাশের চিফ এক্সটারনাল অ্যান্ড করপোরেট অ্যাফেয়ার্স মেজর জেনারেল (অব.) শেখ মনিরুল ইসলাম বলেন, বিকাশ একটি উদ্ভাবনী শক্তি। প্রযুক্তির উদ্ভাবনেই বিকাশের সৃষ্টি। তাই বিকাশ শিক্ষার্থীদের ভেতর উদ্ভাবন জাগিয়ে তুলতে সামাজিক দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে বিভিন্ন আয়োজনে যুক্ত। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের বিজ্ঞান উৎসব শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহী করে তুলবে এবং দেশে বিজ্ঞানীর অভাব পূরণ করবে।

বিজ্ঞানের মাধ্যমে জটিল সমস্যার সহজ সমাধান করা যায় বলে জানান কথাসাহিত্যিক ও প্রথম আলোর সহযোগী সম্পাদক আনিসুল হক। দেশের বিভিন্ন সমস্যায় বিজ্ঞান কীভাবে সাহায্য করেছে, তা জানান।

সেন্ট যোসেফ স্কুলের অধ্যক্ষ ব্রাদার লিও পেরেরা বিজ্ঞানী হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ভালো মানুষ হিসেবেও গড়ে উঠতে হবে বলে জানান।

প্রথম আলোর বিজ্ঞানবিষয়ক মাসিক সাময়িকী বিজ্ঞানচিন্তা ও মুঠোফোন আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বিকাশের উদ্যোগে আয়োজিত এ উৎসবে ঢাকার ৫০টি স্কুলের প্রায় ৭০০ শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এ অনুষ্ঠানে কুইজে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি বিজ্ঞানভিত্তিক বিভিন্ন প্রজেক্ট তৈরি করে এনেও প্রদর্শন করে শিক্ষার্থীরা। অনুষ্ঠান বাস্তবায়নে সহযোগিতা করে প্রথম আলো বন্ধুসভা।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বিজ্ঞানচিন্তার সম্পাদক ও প্রথম আলোর সহযোগী সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম। এ ছাড়া প্রথম আলো বন্ধুসভা জাতীয় কমিটির নির্বাহী সভাপতি কামরুন্নাহার মৌসুমীর সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন কার্টুনিস্ট আহসান হাবীব, ফিজিক্স অলিম্পিয়াডের কোচ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক আরশাদ মোমেন, প্রথম আলোর ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন ও যুব কার্যক্রমের প্রধান সমন্বয়ক মুনির হাসান।