চলতি অক্টোবর থেকে লোডশেডিং কমবে বলে জানিয়েছিল সরকার, কিন্তু তা হয়নি। বরং লোডশেডিং আরও বেড়েছে।

মৌসুমি হাওয়া বিদায় নেওয়ার এই সময়ে গরম বেড়েছে। সঙ্গে রয়েছে লোডশেডিং। এই দুই মিলিয়ে রাজধানীবাসীর অবস্থা নাকাল। দেশের অন্যত্রও পরিস্থিতি নাজুক।

বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্র বলছে, জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দিনে সর্বোচ্চ ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং হয়। এখন তা বেড়ে হয়েছে আড়াই হাজার থেকে তিন হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত, যা গত তিন মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। গত তিন মাসের মধ্যে সবচেয়ে বেশি লোডশেডিং হচ্ছে এখন। দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ডিপিডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) বিকাশ দেওয়ান গত সোমবার প্রথম আলোকে বলেন, প্রতিদিন ৪০০ থেকে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ঘাটতি হচ্ছে। গত তিন মাসে এমন পরিস্থিতি হয়নি।

কোথাও কোথাও এখন দিনে পাঁচবার লোডশেডিং করতে হচ্ছে। কিছুদিন ধরে পরিস্থিতি খুব খারাপ যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ডেসকোর এমডি আমির কাউসার আলী। তিনি সোমবার প্রথম আলোকে বলেন, দিনে ৩০০ মেগাওয়াটের মতো সরবরাহের ঘাটতি হচ্ছে। কোনো কোনো ফিডারে (নির্দিষ্ট গ্রাহক এলাকা) দিনে চারবার পর্যন্ত লোডশেডিং করতে হচ্ছে।

আজ ডিপিডিসির আওতাধীন বেশির ভাগ এলাকায় তিন থেকে চার ঘণ্টা লোডশেডিং করা হবে বলে তালিকায় দেখা গেছে। তবে শ্যামপুরের কয়েকটি স্থানে আট ঘণ্টা লোডশেডিং হতে পারে।

রাজধানীতে ডিপিডিসি ও ডেসকো—এ দুই বিদ্যুৎ সরবরাহকারী সংস্থা লোডশেডিংয়ের তালিকা দিয়েছে। পাঠকের জন্য তালিকা তুলে ধরা হলো—

ডেসকোর আওতাধীন এলাকায় লোডশেডিং.pdf
আজিমপুর.pdf
আদাবর.pdf
কাকরাইল.pdf
কাজলা.pdf
কামরাঙ্গীর চর.pdf
খিলগাঁও.pdf
জিগাতলা.pdf
জুরাইন.pdf
ডেমরা.pdf
তেজগাঁও.pdf
ধানমন্ডি.pdf
নারায়ণগঞ্জ (পশ্চিম).pdf
নারায়ণগঞ্জ (পূর্ব).pdf
নারিন্দা.pdf
পরিবাগ.pdf
পোস্তগোলা.pdf
ফতুল্লা.pdf
বংশাল.pdf
বনশ্রী.pdf
বাংলাবাজার.pdf
বাসাবো.pdf
মগবাজার.pdf
মতিঝিল.pdf
মাতুয়াইল.pdf
মানিকনগর.pdf
মুগদাপাড়া.pdf
রমনা.pdf
রাজারবাগ.pdf
লালবাগ.pdf
শীতলক্ষ্যা.pdf
শেরেবাংলা নগর.pdf
শ্যামপুর.pdf
শ্যামলী.pdf
সাতমসজিদ.pdf
সিদ্ধিরগঞ্জ.pdf
স্বামীবাগ.pdf