বন্ধ্যত্বের চিকিৎসায় মীনা আইভিএফ অ্যান্ড ফার্টিলিটি কেয়ারের যাত্রা শুরু

বন্ধ্যত্বের সমস্যায় ভোগা রোগীদের চিকিৎসার জন্য যাত্রা শুরু করেছে মীনা আইভিএফ অ্যান্ড ফার্টিলিটি কেয়ার। আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর বনানীতে চিকিৎসাকেন্দ্রটির যাত্রা শুরু হয়ছবি: প্রথম আলো

বন্ধ্যত্বজনিত সমস্যায় ভোগা রোগীদের চিকিৎসার জন্য যাত্রা শুরু করেছে মীনা আইভিএফ অ্যান্ড ফার্টিলিটি কেয়ার। আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর বনানীতে চিকিৎসাকেন্দ্রটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।

বনানীর ২২ নম্বর সড়কে অবস্থিত এই চিকিৎসাকেন্দ্র থেকে রোগীরা নিয়মিত চিকিৎসাসেবা নিতে পারবেন।

মীনা আইভিএফ অ্যান্ড ফার্টিলিটি কেয়ারের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রতিষ্ঠানটিতে উন্নতমানের ল্যাব, আধুনিক অস্ত্রোপচার সুবিধা ও আন্তর্জাতিকমানের চিকিৎসা সরঞ্জাম রয়েছে, যা রোগীদের উন্নত, নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করবে। প্রতিষ্ঠানটি আশা করছে, এর মাধ্যমে তারা বন্ধ্যত্বজনিত সমস্যায় ভোগা রোগীদের সুস্থ জীবন ফিরে পাওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মীনা আইভিএফ অ্যান্ড ফার্টিলিটি কেয়ার লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. মনিরুজ্জামান, উপদেষ্টা কমিটির সদস্য অরিন্দম চক্রবর্তী, হেড অব এমব্রায়োলজি সৌমজিত পাল, চিফ কনসালটেন্ট লুবনা ইয়াছমিন, সিনিয়র কনসালটেন্ট নাতাশা তিলোত্তমা আলীম, শামীমা নারগিস নীলা, অধ্যাপক মোছাম্মদ বিলকিস পারভীন, অধ্যাপক ফেরদৌসী বেগম ফ্লোরা, অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সুরাইয়া রহমান, অধ্যাপক মারুফ সিদ্দিকী, অধ্যাপক ফিরোজা বেগম প্রমুখ।

মীনা আইভিএফ অ্যান্ড ফার্টিলিটি কেয়ার লিমিটেডের সিনিয়র কনসালটেন্ট নাতাশা তিলোত্তমা আলীম বলেন, বর্তমানে প্রায় ১০ শতাংশের মতো দম্পতি বন্ধ্যত্বে ভুগছেন। সঠিক দিকনির্দেশনা আর চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হলে তাঁদের সমস্যার সমাধান করা সম্ভব।

‘মাতৃত্বের স্বাদ আসুক প্রতিটি ঘরে’—এমন স্লোগানে যাত্রা শুরু করা প্রতিষ্ঠানটি থেকে রোগীরা ইন-ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন (আইভিএফ), ইন্ট্রা সাইটোপ্লাজমিক স্পার্ম ইঞ্জেকশন (আইসিএসআই), ইন্ট্রা ইউটেরাইন ইনসেমিনেশন (আইইউআই), ডিম্বাণু ও শুক্রাণু ফ্রিজিং, টেস্টিকুলার স্পার্ম অ্যাস্পিরেশন (টিইএসএ), পারকিউটেনিয়াস এপিডিডাইমাল স্পার্ম অ্যাস্পিরেশন (পিইএসএ) সেবা নিতে পারবেন।

বর্তমানে বাংলাদেশে বন্ধ্যত্ব একটি ক্রমবর্ধমান জনস্বাস্থ্য সমস্যা বলে মনে করেন আইভিএফ ও ফার্টিলিটি বিশেষজ্ঞ এবং প্রতিষ্ঠানটির চিফ কনসালটেন্ট লুবনা ইয়াছমিন। তিনি বলেন, জীবনযাত্রার পরিবর্তন, পরিবেশগত প্রভাব ও বিভিন্ন স্বাস্থ্যগত কারণে প্রতিবছর দেশে বন্ধ্যত্বে আক্রান্ত দম্পতির সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। সেখানে সঠিক সময়ে উন্নত চিকিৎসা ও সঠিক দিকনির্দেশনার মাধ্যমে রোগীরা সন্তান পেতে পারেন। তুলনামূলক তরুণ বয়সে চিকিৎসা নিলে সাফল্যের হার বেশি।