পারিবারিক সূত্র জানায়, জুনায়েদ আহমেদ বুগদাদী (১২) তার মা-বাবার সঙ্গে নাখালপাড়ায় থাকত। আজ সকাল সাড়ে নয়টার দিকে বাসা থেকে স্কুলের উদ্দেশে বের হয় সে। পথে রেললাইন পার হতে গিয়ে চলন্ত ট্রেনের ধাক্কায় ছিটকে পড়ে সে। এতে মাথায় প্রচণ্ড আঘাত পায়। রক্তাক্ত অবস্থায় জুনায়েদকে প্রথমে মহাখালী উড়ালসড়ক-সংলগ্ন ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় সেখান থেকে তাকে বেলা সোয়া ১১টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এ সময় চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

জুনায়েদের ফুফু আমেনা খাতুন হাসপাতালে প্রথম আলোকে বলেন, আজ সকালে জুনায়েদ স্কুলে যাচ্ছিল। এ সময় দ্রুতগতিতে ট্রেন আসছিল। তখন একটি ছেলে রেললাইন পার হচ্ছিল। জুনায়েদ তখন সেই ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে নিজেই ট্রেনের সঙ্গে ধাক্কা খায়।

নিহত স্কুলছাত্রের বাবা আতাউর রহমান বুগদাদী পেশায় কাপড় ব্যবসায়ী। তিনি বলেন, ঠিক কোন ট্রেনের ধাক্কায় তাঁর ছেলে নিহত হয়েছে, তা তিনি এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হতে পারেননি।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ বক্সের পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া জানান, জুনায়েদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মেডিকেল কলেজের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট পুলিশকে জানানো হয়েছে।

দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে জুনায়েদ ছিল বড়। তাদের বাড়ি চাঁদপুরের মতলব উপজেলার ছোট হলদিয়ায়।