অভিযোগকারী ছাত্রী বলেছেন, জন্মদিন উপলক্ষে ছবি তোলার জন্য গত সোমবার দিবাগত রাতে তিনি ঢাবির টিএসসি এলাকায় গিয়েছিলেন। তাঁর সঙ্গে একজন পেশাদার আলোকচিত্রী ছিলেন। ছিলেন কজন বন্ধু। রাজু ভাস্কর্যের সামনে ছবি তোলার একপর্যায়ে তাঁকে হেনস্তা-মারধর করেন ছাত্রলীগের কর্মী মো. নাজমুল আলম।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, ছাত্রী যখন রাজু ভাস্কর্যের সামনে ছবি তুলছিলেন, তখন সেখানে মোটরসাইকেলে করে দুজন আসেন। তাঁদের একজন নাজমুল। আরেকজন মেহেদি। তাঁরা ছাত্রীসহ অন্য ব্যক্তিদের বহিরাগত বলে জেরা করতে থাকেন। এত রাতে ক্যাম্পাসে আসার কারণ জানতে চান। ছাত্রীর মুঠোফোন কেড়ে নেন। একপর্যায়ে ছাত্রীকে থাপ্পড় মারেন নাজমুল।

ওই ঘটনার পরদিন (মঙ্গলবার) ভুক্তভোগী ছাত্রী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে বিচার চেয়ে লিখিত অভিযোগ দেন।

আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ৩১ অক্টোবর মধ্যরাতের পর রাজু ভাস্কর্যে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীর সঙ্গে আইন ও শৃঙ্খলাপরিপন্থী অশোভন আচরণ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মো. নাজমুল আলমকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। কৃত অপরাধের জন্য কেন তাঁকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে না, সে বিষয়ে সাত কার্যদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর জন্য বলা হয়েছে।

নাজমুল সূর্যসেন হল শাখা ছাত্রলীগের কর্মী। তিনি হলটির ৩২২ নম্বর কক্ষে থাকেন।