আজ মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়। সেখানে জানানো হয়, ৩ কোটি ৮৪ লাখ মানুষ ধূমপান না করেও বিভিন্ন গণপরিবহন ও পাবলিক প্লেসে প্রতিনিয়ত পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন সংগঠনটির প্রকল্প সমন্বয়কারী শরিফুল ইসলাম। এতে বলা হয়, বিদ্যমান আইনে গণপরিবহন ও পাবলিক প্লেসে ধূমপানের জন্য নির্ধারিত স্থান রাখার সুযোগ ছিল। প্রস্তাবিত সংশোধনীতে এ ধারা বাতিল করা হয়েছে। দেশে ই-সিগারেটের ব্যবহার বাড়ছে। কিন্তু বিদ্যমান আইনে ই-সিগারেটের বিষয়ে কিছু বলা নেই। সংশোধনীতে ই-সিগারেট নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে সংসদ সদস্য ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার বলেন, আগামী প্রজন্ম যেন তামাকে অভ্যস্ত না হয়, সে বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে কাজ চলছে। আইন সংশোধনীর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সম্প্রতি ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ আইন ২০০৫ (২০১৩ সালে সংশোধিত)’-এর অধিকতর সংশোধনের জন্য একটি খসড়া প্রণয়ন করেছে। খসড়াটির ওপর অংশীজনদের মতামতের জন্য গত ১৬ জুলাই পর্যন্ত জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের ওয়েবসাইটে উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছিল। সংশোধনী প্রস্তাবগুলো ব্যাপক জনসমর্থন লাভ করেছে। ১৫ হাজারের বেশি সংগঠন ও নাগরিক এ সংশোধনীর প্রতি তাঁদের সমর্থন জানিয়েছেন।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন