ওসি বলেন, সোহানা শেরেবাংলা সড়কের একটি বাসায় থাকতেন। তাঁর ছোট ভাই একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। তিনি হাজারীবাগ এলাকাতেই বন্ধুদের সঙ্গে থাকেন। তবে কখনো কখনো তিনি বোনের বাসাতে এসে থাকতেন।

সর্বশেষ সোহানা অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলা ট্রিবিউনের কর্মী ছিলেন বলে জানিয়েছেন তাঁর বন্ধু রোকসানা মিলি। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, সোহানা বাংলা ট্রিবিউন ছেড়েছেন বেশ কয়েক মাস হয়ে গেছে। তিনি নতুন চাকরি খুঁজছিলেন। তাঁর মা–বাবা থাকেন যশোরে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাংলা ট্রিবিউনের একজন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক প্রথম আলোকে জানান, সোহানা দুই বছর আগে এই প্রতিষ্ঠানে সিনিয়র সাব–এডিটর হিসেবে কাজ করতেন।

সর্বশেষ গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সোহানার সঙ্গে কথা হয়েছিল জানিয়ে রোকসানা মিলি বলেন, স্বাভাবিকভাবেই তাঁর সঙ্গে কথা হয়েছিল। অস্বাভাবিক কিছু মনে হয়নি। পরে আর তাঁর সঙ্গে কথা হয়নি। অন্য এক বন্ধু গতকাল রাত থেকে সোহানার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছিলেন। যোগাযোগ করতে না পেরে আজ বেলা আড়াইটার দিকে ওই বন্ধু বাসায় এসে দেখেন, ভেতর থেকে দরজা বন্ধ। পরে দরজা ভেঙে দেখা যায়, সোহানা পারভীন বৈদ্যুতিক পাখার সঙ্গে ঝুলে আছেন।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন