এর আগে সকাল ১১টার দিকে অমিত হাবিবের মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্স প্রেসক্লাব চত্বরে পৌঁছায়। বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে সেখানে তাঁর দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের পাশাপাশি রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা অংশ নেন।

জানাজায় সম্পাদক পরিষদের কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি ও ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহ্ফুজ আনাম, দৈনিক সমকালের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মোজাম্মেল হোসেন, দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক সাইফুল আলম, প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকার সম্পাদক মুস্তাফিজ শফি, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি হাসান হাফিজ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাইনুল আলম প্রমুখ অংশ নেন।
এর আগে সকাল ১০টা ২০ মিনিটে বাংলামোটরে দেশ রূপান্তরের কার্যালয় প্রাঙ্গণে অমিত হাবিবের প্রথম জানাজা সম্পন্ন হয়। এতে বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকেরা অংশ নেন।

জানাজা শেষে রূপায়ণ গ্রুপ ও তাঁর সহকর্মীদের পক্ষ থেকে প্রয়াত অমিত হাবিবের মরদেহে ফুলেল শ্রদ্ধা জানানো হয়। তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। শ্রদ্ধা জানান বিভিন্ন গণমাধ্যমের সংবাদকর্মী ও বিশিষ্টজনেরা।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১১টায় রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অমিত হাবিবের মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৯ বছর।

২১ জুলাই রাতে অফিসে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন অমিত হাবিব। প্রথমে তাঁকে রাজধানীর বেসরকারি একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে তাঁকে নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

অমিত হাবিবের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রমুখ।

default-image

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার কাজির বেড় গ্রামের বাড়িতে এশার নামাজের পর পারিবারিক কবরস্থানে এই সাংবাদিককে দাফন করা হবে।

২০১৮ সালে অমিত হাবিব দেশ রূপান্তর পত্রিকার সম্পাদকের দায়িত্ব নেন। এর আগে তিনি দৈনিক কালের কণ্ঠের উপদেষ্টা সম্পাদক ছিলেন। ১৯৮৭ সালে কর্মজীবন শুরু করেন তিনি। পরে সাপ্তাহিক পূর্বাভাস পত্রিকায় যোগ দেন। কাজ করেছেন দৈনিক আজকের কাগজ, ভোরের কাগজ, যায়যায়দিন ও সমকাল পত্রিকায়। চীনের আন্তর্জাতিক বেতারেও কাজ করেছেন তিনি।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন