এর আগে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ আসামি বুশরাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করে। পরে বুশরার পক্ষে জামিন আবেদন করা হয়। উভয় পক্ষের শুনানি নিয়ে আদালত বুশরাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

৪ নভেম্বর বেলা ৩টার দিকে ফারদিন ঢাকার ডেমরা থানাধীন কোনাপাড়ার নিজ বাসা থেকে বুয়েটের আবাসিক হলের উদ্দেশ্যে বের হন। পরদিন থেকে তাঁর খোঁজ মিলছিল না। ওই দিনই রাজধানীর রামপুরা থানায় এ বিষয়ে সাধারণ ডায়েরি করেন তাঁর বাবা কাজী নূর উদ্দিন। সেখানে তিনি বলেন, পরদিন শনিবার সকালে ফারদিনের পরীক্ষা ছিল। তবে তিনি পরীক্ষায় অংশ নেননি। তাঁর মুঠোফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

৭ নভেম্বর শীতলক্ষ্যা নদী থেকে ফারদিনের লাশ উদ্ধার হয়। ১০ নভেম্বর ফারদিনের বাবা বাদী হয়ে  রাজধানীর রামপুরা থানায় হত্যার ঘটনায় মামলা করেন। মামলায় ফারদিন নূরের বান্ধবীর নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়। সেদিনই বুশরাকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে রিমান্ডে নেওয়া হয়।

পুলিশ জানায়, ফারদিন নূরের বান্ধবী বুশরা একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে পড়াশোনা করছেন। চার বছর ধরে ওই বান্ধবীর সঙ্গে ফারদিন নূরের যোগাযোগ।

ফারদিন নূর বুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি বুয়েটের ড. এম এ রশীদ হলে সংযুক্ত থাকলেও হলে থাকতেন না। পরিবারের সঙ্গে ঢাকার কোনাপাড়া এলাকায় থাকতেন।